আনুষ্ঠানিক ভাবে ভোলা শহরে গ্যাস সংযোগ উদ্বোধনের পাঁচদিন পেরিয়ে গেলেও বাসা-বাড়িতে সংযোগ দেয়ার জন্য ঠিকাদার নিয়োগ প্রক্রিয়াই সম্পন্ন হয়নি। নির্দেশনার অভাবে কাগজপত্র জমা ও যাচাই-বাছাই সম্পন্ন না হওয়ায় কেবল একজন রাইজার ঠিকাদার নিয়োগ পেলেও কোন কাজ করতে পারছে না। বাসা-বাড়িতে মূল লাইন থেকে কিচেন পর্যন্ত সংযোগ দেয়ার জন্য ঠিকাদার নিয়োগ না হওয়ায় সকল প্রক্রিয়া থমকে আছে। কবে নাগাদ সংযোগ ফি ও কাগজপত্র জমা দিতে হবে সে ব্যাপারেও ডিস্ট্রিবিউশনের দায়িত্বে নিয়োজিত সুন্দরবন গ্যাস কোম্পানির ভোলা অফিস কোনো নির্দেশনা দেয়নি। এ নিয়ে গ্রাহকরা বিভ্রান্তিতে আছে। সুন্দরবন গ্যাস কোম্পানির ডেপুটি ম্যানেজার মোস্তাফিজুর রহমান জানান, গ্যাস সংযোগ কাজের জন্য ৪৫টি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান আবেদন করলেও ঢাকায় বৃহস্পতিবার পর্যন্ত মাত্র অর্ধেক সংখ্যক প্রতিষ্ঠানের ইন্টারভিউ শেষ হয়েছে। চলতি সপ্তাহেই বাকিগুলোর ইন্টারভিউ শেষ হলে নিয়োগ দেয়া হবে। উদ্বোধনের আগেই কেন ঠিকাদার নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হল না- এ নিয়ে জন মনে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার কবে গ্রাহকের কাগজপত্র জমা ও যাচাই-বাছাই হবে এবং কার কাছে জমা দিতে হবে তার কোন উত্তর দেননি। কবে নাগাদ সংযোগ দেয়ার কাজ শুরু হবে তাও বলতে পারেননি ।
উল্লেখ্য, গত ২৮ আগস্ট ভোলার শাহবাজপুর গ্যাস ক্ষেত্র থেকে ভোলা শহরে জৈনপুরী পীর সাহেবের খানকায় গ্যাসের অগ্নি শিখা প্রজ্বলন করে গ্যাস সংযোগ উদ্বোধন করেন সাবেক মন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ এমপি ও পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডক্টর হোসেন মনসুর। উদ্বোধনী সভায় জানানো হয়, ভোলা শহরে মাত্র ২০ কিমি. গ্যাস পাইপ লাইন টানা আছে। শিঘ্রই সমগ্র পৌরসভায় ও শাহবাজপুর গ্যাস ক্ষেত্রের কাছাকাছি উপজেলা শহর বোরহানউদ্দিনে নতুন গ্যাস পাইপ লাইন স্থাপন করে আরো সংযোগ দেয়া হবে।
