গত ৬ মে সুপ্রিমকোর্ট অব বাংলাদেশ, হাইকোর্ট ডিভিশন কর্তৃক এর SUO-MOTO RULE NO. 09 OF 2013 এর মাধ্যমে রানা প্লাজা ধসে ক্ষতিগ্রস্ত কর্মীদের কমপেনসেশনের হার নির্ধারণের জন্য জিওসি, ৯ পদাতিক ডিভিশনসহ সংশ্লিষ্ট অফিস/দপ্তরের প্রতিনিধিগণকে নিয়ে একটি কমিটি গঠন করা হয়। সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন তথ্য ও উপাত্ত সংগ্রহ সমস্যাসংকুল এবং সময়সাপেক্ষ হওয়ায় উক্ত কার্যক্রম নির্দিষ্ট সময়ে সম্পন্ন করা সম্ভব হয়নি বিধায় প্রতিবেদন প্রদানের সময় ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত বৃদ্ধির জন্য আদালতকে অনুরোধ করা হয়।
আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী কমপেনসেশন নির্ধারণের জন্য গত ২৯ আগস্ট সদর দপ্তর ৯ পদাতিক ডিভিশনে সভা অনুষ্ঠিত হয়। এ সভায় ৯ পদাতিক ডিভিশনের জেনারেল অফিসার কমান্ডিং মেজর জেনারেল চৌধুরী হাসান সারওয়ার্দী, বীর বিক্রম, এনডিসি, পিএসসি, ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিক-এর ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. জামিলুর রেজা চৌধুরী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক এম এম আকাশ, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ডা. নকুল কুমার দত্তসহ ঊর্ধ্বতন সামরিক ও অসামরিক কর্মকর্তা এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
সভায় অধ্যাপক এম এম আকাশকে সভাপতি করে কমপেনসেশনের হার নির্ধারণ সাব কমিটি এবং ডাইরেক্টরেট জেনারেল অব হেলথ সার্ভিসেস-এর পরিচালক (হসপিটাল সার্ভিসেস) অধ্যাপক ডা. এবিএম আব্দুল হান্নানকে সভাপতি করে স্বাস্থ্যগত পর্যায় নির্ধারণী সাব কমিটি গঠন করা হয়। এ দু’টি সাব কমিটি আগামী ২০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে তাদের প্রতিবেদন দাখিল করবে।
উক্ত প্রতিবেদন পর্যালোচনার পর সেপ্টেম্বরের শেষ সপ্তাহে কমপেনসেশনের হার নির্ধারণী মূল কমিটির পরবর্তী সভা অনুষ্ঠিত হবে।
উল্লেখ্য, সম্প্রতি রানা প্লাজা ধসের ঘটনায় ৩২৯ জন নিখোঁজ ব্যক্তির তালিকা সেনাবাহিনীর নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় যাচাই-বাছাইয়ের পর ২৬১ জনকে প্রকৃত নিখোঁজ হিসাবে চিহ্নিত করা হয়। উক্ত ২৬১ জন নিশ্চিত নিখোঁজ ব্যক্তির তালিকা প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে প্রেরণ করা হয়।-আইএসপিআর
