রাজধানীর পুরান ঢাকার পাটুয়াটুলীর ব্যবসায়ী ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে গতকাল সোমবার দুপুরে সংঘর্ষে তিনজন আহত হয়। ঘটনাস্থলে বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থীকে আটক করেছে পুলিশ।
প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী হাসিব (৭ম ব্যাচ) পাটুয়াটুলীর ভাগ্যকুল এন্টারপ্রাইজ নামে ঘড়ির দোকানে ঘড়ি কিনতে যায়। ঘড়ির দাম নিয়ে দোকান মালিক মো. মনিরুজ্জামানের সাথে তার বাক-বিতন্ডা হয়। এক পর্যায়ে দোকানের কর্মচারী হাসিব ও তার এক বন্ধুকে মারধর করে। বিষয়টি ক্যাম্পাসে জানাজানি হলে শিক্ষার্থীরা ক্ষিপ্ত হয়ে রাস্তায় বেরিয়ে আসে। অপরদিকে পাটুয়াটুলীর ব্যাবসায়ীরা সংঘবদ্ধ হয়ে লাঠিসোটা ও দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে শিক্ষার্থীদের উপর হামলা চালায়। শিক্ষার্থী ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে ঘন্টাব্যাপী ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া হয়। পুলিশ ব্যবসায়ীদের বাধা দিলে তারা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে অবস্থিত অগ্রণী ব্যাংকে ভাংচুর ও বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন ভবনে অবস্থিত গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ লক্ষ্য করে ইট-পাটকেল ছোঁড়ে । বিভাগের মিডিয়া ল্যাবের জানালা ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
ব্যবসায়ীদের অভিযোগঃ হাসিব বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের কর্মী। ঘড়ির দাম না দিয়েই ঘড়ি নিয়ে চলে যেতে চাইলে এ ঘটনা ঘটে। জবি ছাত্রদলের সভাপতি ফয়সাল আহমেদ সজল এ অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, এ ঘটনায় ছাত্রদলের কোন নেতাকর্মী জড়িত নয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অশোক কুমার সাহা বলেন, এটা একটি পরিকল্পিত হামলা। ব্যবসায়ীরা সংঘবদ্ধ হয়ে হামলা করে বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্পত্তি ভাংচুর করেছে। পুলিশের লালবাগ জোনের ডেপুটি কমিশনার হারুন-অর-রশিদ বলেন, একটি তুচ্ছ বিষয়কে কেন্দ্র করে ঘটনাটি ঘটেছে।
