কবিতা

আপডেট : ০৩ সেপ্টেম্বর ২০১৩, ১৯:৪৪
মধ্যরাতে নাসরীন নঈম রবির ছবি দেখবি নাকি আয় চলে আয় আমার কাছে মনের ভেতর পাঠশালাতে সেই ছবিটা আঁকা আছে। নদীর কাছে পাখির কাছে বাউলের ওই খঞ্জনাতে রবি বাবু নিত্য আসে তোমার আমার কল্পনাতে। বলাই এবং ফটিক যখন একলা ঘরে বসে থাকে মন খারাপের গল্প নিয়ে অমল ডাকে মধ্যরাতে। মিতা এবং বন্যা খালা ঘুম ভাঙানো পাখির সুরে গাইতো যখন গান আমরা তখন রতন হয়ে দাঁড়িয়ে থাকি জানালাতে। তোমার আমার কল্পনাতে সেই ছবিটা আঁকা আছে রতন তখন জানালাতে অমল ডাকে মধ্যরাতে। == প্রিয় খোকা খান চমন-ই-এলাহি মধুমতী নদীর তীরে টুঙ্গিপাড়া গ্রাম, লাল সবুজের সবুজছায়ায় শেখ মুজিবের ধাম। সেখান থেকে প্রিয় খোকা বড় হলেন যেই, বাংলাদেশের এই পতাকা যুদ্ধে পাওয়া সেই। স্বাধীনতার স্বপ্ন পূরণ হলো যখন শেষে, তিনি হলেন জাতিরপিতা স্বাধীন সোনার দেশে। === সামনে যাও মোহাম্মদ মারুফুল ছিলাম তখন সস্ত্রীক, উঠেলো ডেকে একটি বৃক; পথের পাশের গাছ থেকে, এক্কেবারে কাছ থেকে। গিন্নী আমার পেলেন ভয়, বৃকপাখি যে শুভ নয়! ছিল তখন ভর দুপুর, নভ করে নীল উপুড়— দাঁড়িয়ে ছিল ঝিম মেরে, নীরবতার ডিম পেড়ে। দ্রুত হেঁটে যাচ্ছি পথ, চলছিল খুব পায়ের রথ। চেয়ে দেখি পথ বাঁকা, সামনে ধুধু সব ফাঁকা। ধরলো কিনা কানা ভূত; বলতে যে পারছি না ধুত্! কোথায় যাবো কোন্ গাঁয়ে, ডাইনে যাবো না বাঁয়ে। বানকুড়ালীও নিলো পাছ— হয়ে মস্ত ধূলার গাছ। গিন্নী বলেন সামনে যাও ঐ তো সাপের চরের গাঁও। === দেশের মাটি গুলশান-ই-ইয়াসমীন আমার দেশের মাটির সুবাস মায়ের ভালোবাসা, মিটায় মনের সকল তৃষা জাগায় আলো-আশা। আমার দেশের সবুজ মাঠে সোনার ফসল ফলে, নদীর বুকে রঙিন পালের নৌকা ভেসে চলে। আমার দেশের আকাশ ভরা হাজার তারার মেলা, ফাগুন বনে ফুলের বাহার মৌমাছিদের খেলা।