মেহেরপুরে ডাকাতের গুলিতে শিক্ষক নিহত, শিশু অপহরণ

আপডেট : ০৪ সেপ্টেম্বর ২০১৩, ২২:৪৯
মেহেরপুর সদর উপজেলার শুভরাজপুর গ্রামে বুধবার রাতে ডাকাতদের গুলিতে আব্দুল হালিম নামে এক শিক্ষক নিহত হয়েছে। ডাকাতরা এসময় আতিউর রহমান নামে এক শিশুকে অপহরণ করেছে। জানা যায়, বাড়ির লোকজনের আর্ত-চিত্কারে প্রতিবেশীরা ছুটে আসলে ১৪/১৫ জনের সশস্ত্র ডাকাত দল ৯টি বোমার বিস্ফোরণ ঘটিয়ে পালিয়ে যায়। নিহত আব্দুল হালিম একজন শিক্ষক। তিনি ডাকাতদের চিনতে পারায় তাকে গুলি করে হত্যা করে। হালিমের বড় ভাই সামাদ এসে ডাকাতদের বাধা দেয়ার চেষ্টা করলে তাকেও মারধর করে তারা। ডাকাতদের হাতে অপহূত আতিউর সামাদের নাতি। আতিউরের বাবা আলিফ উদ্দিন আফ্রিকায় থাকেন। এর আগে ডাকাতরা আলিফের বাড়িতে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে চিঠি পাঠায়। আতিউর স্থানীয় আশার আলো প্রি-ক্যাডেট একাডেমিতে স্কুলের ৪র্থ শ্রেণীর ছাত্র। এর আগে ডাকাতরা বিভিন্ন সময়ে মুক্তিপণের দাবিতে শুভরাজপুর গ্রামের আব্দুর রশিদের ছেলে রায়হান, সাত্তারের ছেলে সুজন, ওয়াজেদের ছেলে পন্জতুল্লাহ, মওলাবক্স-এর ছেলে মতিন, আসাদের ছেলে সাবদার আলি ও সফিউল মাষ্টারের ছেলে জহন আলিকে অপহরণ করে মুক্তিপণ আদায় করেছে। ঘটনার পর স্থানীয় রামদাসপুর পুলিশ ফাঁড়ির টহল পুলিশ দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। তবে এ ঘটনায় পুলিশ কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি। রামগতিতে সংঘর্ষে নিহত এক কমলনগর (লক্ষ্মীপুর) সংবাদদাতা রামগতি উপজেলার চর পোড়াগাছা গুচ্ছগ্রামে দুই পক্ষের সংঘর্ষে একজন নিহত হয়েছে। নিহত ব্যক্তির নাম নূরনবী (৭০)। আহত হয়েছে আরো তিনজন। জানা যায়, বাজারের দোকানের ভিটি দখলকে কেন্দ্র করে এ সংঘর্ষ হয়। আহতরা হলেন, আতিক, শফিক, সুমন। নূরনবী গুরুতর আহত হলে তাকে রামগতি উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রে আনার পর ডাক্তাররা তাকে মৃত বলে জানান।