মীর কাসেমের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন

আপডেট : ০৫ সেপ্টেম্বর ২০১৩, ২২:৫৯
জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য মীর কাসেম আলীর বিরুদ্ধে মুক্তিযুদ্ধকালে সংঘটিত অপহরণ, নির্যাতন, হত্যাসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের ১৪টি অভিযোগ গঠন করা হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার বিচারপতি এ টি এম ফজলে কবীরের নেতৃত্বাধীন যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ তার বিরুদ্ধে এসব অভিযোগ গঠন করে আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর রাষ্ট্রপক্ষের সূচনা বক্তব্য ও সাক্ষ্য গ্রহণের দিন ধার্য করেন। একই সঙ্গে ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে মীর কাসেম আলীর বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের সাক্ষীর তালিকাসহ যাবতীয় নথিপত্র দাখিলের জন্য রাষ্ট্রপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। আদেশে বলা হয়, মুক্তিযুদ্ধকালে মীর কাসেম চট্টগ্রামে ইসলামী ছাত্রসংঘের সদস্য ছিলেন। রাষ্ট্রপক্ষ তার বিরুদ্ধে নির্যাতনকেন্দ্র ও আল-বদরের ক্যাম্প বসানোর অভিযোগ এনেছে। তার বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধ হিসেবে হত্যা, অপহরণ ও আটক রেখে নির্যাতনের অভিযোগ আনা হয়েছে। অভিযোগ পড়া শেষে মীর কাসেম আলীর কাছে তিনি দোষী না নির্দোষ জানতে চান ট্রাইব্যুনাল। জবাবে মীর কাসেম নিজেকে সম্পূর্ণ নির্দোষ দাবি করেন। অভিযোগ গঠন করার পরে রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি রানা দাসগুপ্ত বলেন, চট্টগ্রামের (মহামায়া হোটেল) বর্তমানে ডালিম হোটেল, প্রবর্তক সংঘের পাহাড় ও চাকতাইল খালের পাড় ছিল মীর কাসেমের অপরাধের ক্ষেত্র। তিনি ছিলেন তত্কালীন ছাত্র সংঘের ও আল-বদরের ঊর্ধ্বতন নেতা। তবে আসামি পক্ষের আইনজীবী তানভীর আহম্মেদ আল আমীন বলেন, তাকে সামাজিকভাবে হেয় করার জন্য এই রাজনৈতিক মামলা করা হয়েছে। ইউসুফের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু জামায়াতের নায়েবে আমির একেএম ইউসুফের বিরুদ্ধে একাত্তরে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগের মামলায় সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার প্রথম সাক্ষী হিসেবে ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্য দিয়েছেন লিয়াকত আলী খান (৬৩)। সকালে বিচারপতি মজিবুর রহমান মিয়ার নেতৃত্বাধীন দুই সদস্যের ট্রাইব্যুনাল-২ এ সূচনা বক্তব্য উপস্থাপন করেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী সৈয়দ রেজাউর রহমান। সূচনা বক্তব্য উপস্থাপন শেষে সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু হয়। ২৬ সেপ্টেম্বর জেরার জন্য দিন ধার্য করা হয়েছে। এ সময় ইউসুফ এজলাসে হাজির ছিলেন।