কী করে এলো

ভুল প্রেম, চুরি ও হাজতবাসের গল্প

আপডেট : ০৬ সেপ্টেম্বর ২০১৩, ১৯:৫৪
যোগাযোগ প্রযুিক্তর এই উত্কর্ষের যুগে প্রেমিক বা প্রেমিকাকে এখন বহুক্ষেত্রেই তাদের মনের মানুষ খুঁজে নিতে দেখা যায় অনলাইনে। বিশেষায়িত নানা ওয়েবসাইট বা সামাজিক যোগাযোগের সাইটে পরিচয়ের সুবাদে প্রেমেও পড়েন অনেকেই। যেমনটা পড়েছিলেন ইস্ট লন্ডনের লেটনের অধিবাসী কিশোর নিমালা আর ফাখারা সুলতানাও। বেশ কিছুদিন আলাপ-পরিচয়ের সুবাদে সম্প্রতি প্রথমবারের মতো দেখা করার উদ্যোগ নেন তারা। যথাসময়ে দেখা হয় এই অনলাইন প্রেমিক যুগলেরও। কিন্তু দেখা হবার কিছুক্ষণ পরেই দু’জনের অনলাইন প্রেম বাস্তবের হিসেব মেলাতে ব্যর্থ হয়। এক কথা দু’কথায় রেস্তরাঁর খাবারের বিল নিয়ে ঝগড়াতেও জড়িয়ে পড়েন তারা দু’জন। ফাখারা সুলতানার সাথে দু’দফায় ৫৪ পাউন্ড বিল দেওয়া নিমালা তার খরচ করা টাকার একটি অংশ দাবি করেন ফাখারার কাছে। অন্যদিকে ফাখারা জানান, তিনি ভেবেছিলেন প্রথম দেখা হওয়ার খরচ ছেলেটিই দেবে এবং এজন্য তিনি সাথে করে পর্যাপ্ত অর্থও আনেননি। তবে ফাখারার সাথে প্রথম দেখার পর পন্ড প্রেমের বেদনা নিয়ে সেটি মানতে রাজি ছিলেন না নিমালা। তাই মোট খরচ হওয়া টাকার একটি অংশ পরিশোধ করার জন্য তিনি চাপ দিচ্ছিলেন ফাখারাকে। এরই মাঝে ফাখারা তার হাতের ব্ল্যাকবেরি ফোন থেকে ফোন করতে উদ্যত হলে সেটি ছিনিয়ে নিয়ে দৌড় দেন নিমালা। মূহূর্তেই ফাখারার চিত্কারে দূরে দাঁড়িয়ে থাকা দু’জন পুলিশ ধাওয়া করে নিমালাকে। এ সময় হাত থেকে ফোনটি ফেলে দিলেও গ্রেপ্তার এড়াতে পারেননি নিমালা। এদিকে ইতোমধ্যেই সাউথওয়ার্ক ক্রাউন কোর্টে হাজির করা নিমালা জানিয়েছেন, ফোনটি চুরি করার কোনো উদ্দেশ্য তার ছিল না। বরং ফাখারাকে রেস্তরাঁর বিলের অংশ প্রদানে বাধ্য করতেই ফোনটি ছিনিয়ে নিয়েছিলেন তিনি। তবে সন্দেহাতীতভাবে এটি প্রমাণের আগ পর্যন্ত পুলিশি হেফাজতেই থাকতে হচ্ছে নিমালাকে।