প্র জ ন্মে র ফে স বু ক : নাজনী ফ্যাশন

আপডেট : ০৮ সেপ্টেম্বর ২০১৩, ২০:০২
ফ্যাশন সময়ের বাহন। ফ্যাশন নিয়ে নিজের ভাবনাকে সবার মাঝে ছড়িয়ে দিতে তাই এই পেশায় জড়িয়েছেন নাজনীন জাহান। তার মতে, অন্যান্য পেশা থেকে ফ্যাশন ডিজাইনিং ভিন্ন। ফ্যাশন হাউস পরিচালনার ক্ষেত্রে ক্রেতাদের ভালোলাগার বিষয়টিকে বেশি প্রাধান্য দিতে হয়। ড্রেসিডলে দু বছর ফ্যাশন ডিজাইনার হিসেবে কাজ করার পর নিজে কিছু করার তাগিদ অনুভব করেন। বরাবরই নিজের ব্যবসা বলতেই একটা আলাদা অনুভূতি-অর্জন-উদ্দীপনা জেগেছে তার মনে। অন্যের অধীনে চাকরি ক্ষেত্রে আপনি নিজের মধ্যের যতটুকু ঢেলে দেন তার থেকে কয়েকগুণ বেশি আপনি নিজের ব্যবসায় ঢেলে দিতে তৈরি থাকেন। সেই চিন্তা থেকেই নিজের বাসাতে গড়ে তোলেন নাজনী ফ্যাশনের কার্যক্রম। মাত্র সাত মাস পেরোবার মাঝেই নাজনী ফ্যাশন সকলের মাঝে সাড়া ফেলতে সক্ষম হয়। নাজনীন জাহান বলেন, ‘একটা সময় দেশে বিদেশি পোশাকের আধিপত্য বেশি ছিল। এ ছাড়া ক্রেতারা মনে করত বিদেশি পোশাকের গুণগত মান ও ডিজাইন ভালো। এ বিষয়টির পরিবর্তন করাটা অনেকের স্বপ্ন ছিল। এখন ক্রেতারা দেশীয় পোশাককে গুরুত্ব দিচ্ছে। তরুণরাও দেশীয় পোশাকের প্রতি আগ্রহ দেখাচ্ছে। এটা আমাদের সবচেয়ে বেশি প্রেরণা দেয়। আমরা তাদের কথা ভেবে ডিজাইন করি। ফ্যাশনের পরিবর্তনগুলোতে তরুণরা সবচেয়ে বেশি ভূমিকা রাখে। আমি মনে করি, নতুন প্রজন্ম দেশীয় ফ্যাশন ও সংস্কৃতির ব্যাপারে অনেক আগ্রহী।’ একজন ফ্যাশন উদ্যোক্তা হিসেবে ক্রেতাদের জন্য ভাবনার কথা জানতে চাইলে নাজনীন জাহান বলেন, ‘ক্রেতারা সব সময় গুণগত মান ও ডিজাইন ভালো চায়। ডিজাইনে পরিবর্তন চায়। এ ছাড়াও তারা চায় অনেক ডিজাইন ও একই সাথে দামটা একটু কম। আমার চেষ্টা করি এ বিষয়গুলোয় গুরুত্ব দিতে। সেই চেষ্টারই ফল হিসেবে ক্রেতাদের ভালোলাগা ও ভালোবাসা নিয়ে আমাদের পথ চলা।’ নাজনী ফ্যাশন মূলত অনলাইন নির্ভর। ফেসবুকের পোশাকের ক্যাটালগ দেখে পছন্দ হলে সরাসরি যোগাযোগ করতে পারেন ফোনে বা বাসার ঠিকানায়।