কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার দৌলতপুর ইউনিয়নের দৌলতখালী মাদ্রাসা পাড়ায় জমিজমা নিয়ে ভাইয়ে ভাইয়ে বিরোধের জের ধরে সৃষ্ট সংঘর্ষে দেবরের রামদার কোপে আহত ভাবী কোহিনুর খাতুন (৩২) তিনদিন রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিত্সাধীন থাকার পর মঙ্গলবার সকালে মারা গেছে।
দৌলতপুর থানার ওসি রবিউল ইসলাম জানান, গত শনিবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে দৌলতখালী মাদ্রাসা পাড়ার মোশারফ হোসেনের ৪ ছেলে মিঠু, সোহেল এবং টিপু, বিপ্লব দু’-গ্রুপে বিভক্ত হয়ে তাদের স্থানীয় বাজারের জমি নিয়ে বিরোধে জড়িয়ে পড়ার এক পর্যায়ে মিঠু ও সোহেলকে টিপু ও বিপ্লব রামদা দিয়ে উপর্যুপরি আঘাত করতে থাকে।
আহত সোহেলকে হাসপাতালে নেবার পথে সে মারা যায়। এসময় বড়ভাই মিঠুর স্ত্রী দৌলতপুর এলজিইডির কর্মচারী কোহিনুর এগিয়ে আসলে তাকেও রামদা দিয়ে কুপিয়ে রক্তাক্ত অবস্থায় আহত করে দেবর টিপু ও বিপ্লব। কোহিনুরকে আশংকাজনক অবস্থায় দ্রুত রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে তিনদিন চিকিত্সাধীন অবস্থায় মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৬টার দিকে কোহিনুর মারা যায়।
