নিহত পুলিশ কর্মকর্তা মাহফুজুর রহমান দম্পতির মেয়ে ঐশী রহমানের মানসিক স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য তাকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে (বিএসএমএমইউ) পাঠাতে সরকারকে নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। একইসঙ্গে ওই খুনের ঘটনার আগে ও পরে ঐশীর মাদক নেয়ার সার্বিক ইতিহাস নিরূপণ করতেও বলা হয়েছে। বিচারপতি সালমা মাসুদ চৌধুরী ও বিচারপতি জাফর আহমেদকে নিয়ে গঠিত হাইকোর্টের অবকাশকালীন ডিভিশন বেঞ্চ গতকাল বুধবার এই আদেশ দেন। এছাড়া চিকিত্সকরা প্রয়োজন মনে করলে মনোরোগ বিশেষজ্ঞ দ্বারা ঐশীকে কাউন্সেলিং প্রদানের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। স্বরাষ্ট্র সচিব, আইন সচিব, সমাজ কল্যাণ সচিব, পুলিশের আইজি, কারা কর্তৃপক্ষ ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তাকে এ আদেশ বাস্তবায়ন করতে বলা হয়েছে।
এছাড়া ঐশী রহমানকে বিএসএমএমইউতে রেখে ওই হত্যাকাণ্ড, আত্মসমর্পণের আগে ও পরে তার মানসিক অবস্থা ও মাদক নেয়ার ইতিহাস নিরূপণে কেন সরকারকে নির্দেশ দেয়া হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করা হয়েছে। আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে এ রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার জ্যোর্তিময় বড়ুয়া উপরোক্ত নির্দেশনা চেয়ে গত ৯ সেপ্টেম্বর হাইকোর্টে রিট আবেদন দায়ের করেন। আবেদনকারী নিজেই আবেদনের ওপর শুনানি করেন। শুনানি শেষে হাইকোর্ট অন্তর্বর্তীকালীন আদেশের পাশাপাশি রুল জারি করে।
এদিকে কাশিমপুর কেন্দ্রীয় মহিলা কারাগারের সুপার আমজাদ হোসেন সন্ধ্যায় ইত্তেফাককে বলেন, হাইকোর্টের আদেশের কপি এখনো পাইনি। আদেশের কপি পেলে সেই মোতাবেক ব্যবস্থা নেয়া হবে। তিনি বলেন, ঐশী কারাগারে ভালো আছে। সকলের সাথে স্বাভাবিক আচরণ করছে। নিয়মিত খাবার খাচ্ছে ও নামাজ পড়ছে।
