প্রেমিক :দেখ! এভাবে ডেকে এনে অপমান না করলেও পারতে! এখানে অপমানিত হতে আসিনি!
প্রেমিকা :ওহ... অপমানিত হতে আবার কোথায় যাওয়া হয় শুনি?
বাড়ির সামনে একটা মরা গাধা পড়ে থাকতে দেখে বাড়ির মালিক ইভানভ গেলেন পৌরসভায় খবরটা দিতে।
:কমিশনার সাহেব, আমার বাড়ির সামনে একটি গাধা মরে পড়ে আছে, দ্রুত এর একটা ব্যবস্থা নিন।
:এটা তো আপনিই করতে পারেন, আর এটা তো আমাদের কাজের মধ্যে পড়ে না।
:বলেন কী! এটা পৌরসভার কাজ না?
:না, দেখুন, আমি কাজে ব্যস্ত আছি। আপনি গাধাটাকে পুড়িয়ে ফেলেন অথবা মাটি চাপা দেন, যা করার বাড়ি গিয়ে করুন।
:ঠিক আছে। কিন্তু আমি যতটুকু জানি, কেউ মারা গেলে প্রথমেই তার নিকটাত্মীয়দের খবরটা দিতে হয়। তাই দিয়ে গেলাম!
একটা কাপ নিয়ে হাঁপাতে হাঁপাতে স্বামীকে ঘরে ঢোকা দেখে—
স্ত্রী :একি! এত হাঁপাচ্ছ কেন? আর এ কাপটাই বা কোথায় পেলে?
স্বামী :দৌড় প্রতিযোগিতায় দুজনকে হারিয়ে এটা পেলাম।
স্ত্রী : মাত্র তিনজন নিয়ে দৌড় প্রতিযোগিতা?
স্বামী :হ্যাঁ, প্রথমে আমি, তারপর পুলিশ আর সবার পেছনে এ কাপটার মালিক!
অফিস থেকে খুব দেরি করে ক্লান্ত হয়ে ঘরে ফিরলেন স্বামী। কিন্তু তার প্রতিদিনই এ রকম দেরি করে বাসায় ফেরা দেখে স্ত্রীর মনে খুব সন্দেহ হলো। তাই কৌতূহলী হয়ে একদিন বাসায় ফেরার সঙ্গে সঙ্গে জানতে চাইলেন—
স্ত্রী :তোমার অফিস তো শেষ হয়ে গেছে সেই কখন। এতক্ষণ কোথায়, কার সঙ্গে কী করলে?
স্বামী :বুদ্ধিমান বউরা কখনও স্বামীকে এভাবে প্রশ্ন করে না।
স্ত্রী :বুদ্ধিমান স্বামীরাও বউকে না বলে কোথাও দেরি করে না, বুঝলে?
স্বামী :ধুর! কী যে বল! বুদ্ধিমান স্বামীদের আবার বউ থাকে নাকি!
