মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে দেড় হাজার শিক্ষক নিয়োগের সিদ্ধান্ত

আপডেট : ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৩, ২২:২০
সরকারি মাধ্যমিক স্কুলের শিক্ষক সংকট মেটাতে এডহক ভিত্তিতে শিক্ষক নিয়োগের পরিকল্পনা করছে সরকার। পাশাপাশি মোট সহকারী শিক্ষকের ৫০ শতাংশ সিনিয়র শিক্ষকের পদ সৃষ্টি করা হবে। মাধ্যমিক পর্যায়ের সরকারি স্কুলের শিক্ষার মান বাড়াতে এ ধরনের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে বলে শিক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে। যতদ্রুত সম্ভব এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ও নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ করা হবে বলে জানা গেছে। এডহক ভিত্তিতে দেড় হাজার শিক্ষক নিয়োগ : মাধ্যমিক পর্যায়ের সরকারি স্কুলের শিক্ষক সংকট রয়েছে। এই সংকট মেটাতে অতিদ্রুত এডহক ভিত্তিতে দেড় হাজার শিক্ষক নিয়োগ করা হবে। মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) পরিচালক (মাধ্যমিক) অধ্যাপক সজল কান্তি মন্ডল জানান, সরকারি মাধ্যমিক স্কুলের শিক্ষক শূন্যতা পূরণের জন্যই এ নিয়োগ দেয়ার চিন্তাভাবনা হচ্ছে। আগামী ২৯ সেপ্টেম্বর এ বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে সচিবের সভাপতিত্বে একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। এই বৈঠকে নিয়োগের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। মাউশি জানায়, সারাদেশে মোট ৩১৭টি সরকারি মাধ্যমিক স্কুল আছে। এসব স্কুলে মোট শিক্ষকের পদ আছে ৯ হাজার ৯৩৬টি। এর মধ্যে শূন্য আছে ১ হাজার ৫৩২টি। এসব পদেই শিক্ষক নিয়োগের প্রস্তাব করেছে মাউশি। এডহক ভিত্তিতে শিক্ষক নিয়োগে কোন লিখিত পরীক্ষা হবে না। সরাসরি নিয়োগ হবে। পিএসসির মাধ্যমে পরবর্তীতে এদের চাকরি নিয়মিতকরণ হবে। নিয়োগ প্রাপ্তদের সরকারি হাইস্কুল ‘সহকারী শিক্ষক’ পদে পদায়ন করা হবে। সিনিয়র শিক্ষকের পদ সৃষ্টি: মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষকদের মর্যাদা বৃদ্ধির লক্ষ্যে সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ‘সিনিয়র সহকারী শিক্ষক’ পদ সৃষ্টির উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। বর্তমানে সহকারী শিক্ষকদের পদ রয়েছে ৯ হাজার ৯৩২টি। সে হিসাবে মোট ৪ হাজার ৯৬৬টি সিনিয়র সহকারী শিক্ষক পদ সৃষ্টি হবে। বর্তমান চাকুরি বিধি অনুসারে দীর্ঘদিন চাকরি করেও সহকারী প্রধান শিক্ষক ও সিনিয়র সহকারী প্রধান শিক্ষক হতে পারেন না। ফলে তারা বঞ্চিত থাকেন। এ বিষয়টি বিবেচনা করে সহকারী শিক্ষকের ৫০ ভাগ পদোন্নতি দিয়ে সিনিয়র সহকারী শিক্ষক করা হবে। ফলে পদোন্নতি পাওয়া শিক্ষকরা দ্বিতীয় শ্রেণী থেকে প্রথম শ্রেণীতে উন্নীত হবেন।