তাদের শুরুটা এ বছরের মাঝামাঝি। গ্রিলকে অন্যমাত্রায় নিয়ে ভিন্ন এক পরিবেশে পৌঁছে দেওয়া হবে অতিথিদের জন্য, এমনটাই ছিল তাদের লক্ষ্য। আর শুরুর পর থেকেই অন্যরকম এক সাড়া পাওয়া গেল তরুণদের কাছ থেকে। মজাদার খাবার, দারুণ আবহ আর মিউজিকে মেতে ওঠা—সব মিলিয়ে গ্রিল হাউজের কথা ছড়িয়ে পড়ল চারদিক। গ্রিল হাউজ অবশ্য প্রতিনিয়তই তাদেরকে নতুন করে সাজাতে চায়। উত্সবে পার্বণে ভিন্নমাত্রা আনা হয় এর খাবার থেকে শুরু করে অন্দর সাজেও।
মজাদার গ্রিলসহ অন্যান্য অনেক খাবারও রয়েছে তাদের তালিকায়, সেটার স্বাদ নেওয়ার আগে ঘুরে দেখা যেতে পারে পুরো জায়গাটা। নিচের উঠোনেই বসতে পারেন গোটা বিশেক অতিথি। আপনার সামনেই তৈরি হচ্ছে সব খাবার। আর সুন্দর সিঁড়িটা টপকে দু’তলাতে উঠলেই মনে হবে গ্রামের বাড়ির বড় বারান্দাটায় এলাম বুঝি। দড়ি বাঁধা চেয়ার অথবা কাঠের সোফায় আরামে নিজেকে দুলিয়ে দিলেই দেখবেন শীতল পরশ ছুঁয়ে যাচ্ছে নিজেকে, হালকা বাতাস, সাথে আবছা ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন করে ফেলবে আপনাকে। আর শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত চাইলে নিচ তলাটাই শ্রেয়, সাথে দু-দুটো বড় টিভিতে দেখে নিতে পারেন পছন্দের কোনো মুভি। সন্তানের দিকে খেয়াল রাখা চাই কিন্তু, কখন দেখবেন আপনার ছোট্ট সোনামণি দেয়ালের পাশে আনমনে তাকিয়ে আছে থরে থরে সেখানে সাজানো অ্যান্টিক সব গাড়ির শো-পিসের দিকে।
এবার আসি খাবারের দিকটায়। সালাদের মাঝে চিকেন গ্রিল সালাদ আর বিফ গ্রিল সালাদের চাহিদাই বেশি। চিকেন বার বি কিউয়ের মাঝে চিকেন টিক্কা, চিকেন টিক্কা আচারি, চিকেন মালাই বটি বেশি পছন্দ অতিথিদের কাছে। বিফ আর মাটনের বাহারি কিছু কাবাব তো আছেই। আর এগুলো সবই ২০০ থেকে ৪০০ টাকার মধ্যে। তাদের ফিশ বার বি কিউ অনেক মজার, আর এটা সব জায়গাতে পাওয়াও যায় না। চিকেন কারাহি আর বিফ কারাহিটাও বেশ মজার। আর দু’জন অথবা চারজনের জন্য সেটমেন্যুও থাকছে। সেটার দামও ৭০০ থেকে শুরু। তো একদিন ঘুরেই আসুন গ্রিল হাউজ থেকে, উত্সবের দিন হলে তো আরও বাড়তি পাওয়া।
এ ক ন জ রে
গ্রিল হাউজ
উদ্যোক্তা :কাজী মইনুল ইসলাম
কোথায় :হাউজ ৮০, রোড ২৩, গুলশান ১, ঢাকা
কবে যাবেন :সপ্তাহে সাতদিন দুপুর ১২টা থেকে সাড়ে ৩টা, বিকাল ৫টা থেকে রাত ১২টা।
রিজার্ভেশন :৫০ থেকে ২০০ জনের জন্য রিজার্ভেশনের ব্যবস্থা আছে, সুযোগ রয়েছে ছোট পরিসরে কনফারেন্সের। যোগাযোগ :০১৭১৬৯৩৯৮৫০।
