পঁচিশজনের বিরুদ্ধে চার্জশিট অনুমোদন

আপডেট : ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৩, ২২:০৮
হলমার্ক ঋণ জালিয়াতির ১১টি মামলায় হলমার্ক ও সোনালী ব্যাংকের মোট ২৫ জনকে আসামি করে চার্জশিটের অনুমোদন দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। সোমবার কমিশনের নিয়মিত বৈঠকে মামলাগুলোর এ চার্জশিটের অনুমোদন দেয়া হয়। এ ২৫ জনের বিরুদ্ধে চলতি সপ্তাহে আদালতে চার্জশিট দাখিল করবে তদন্ত টিম। দুদকের সিনিয়র উপপরিচালক মীর মো. জয়নুল আবেদীন শিবলীর নেতৃত্বে সাত সদস্যের একটি বিশেষ টিম এ ঘটনার তদন্ত করেন। দুদকের চার্জশিটভুক্ত ২৫ আসামি হলেন হলমার্কের এমডি মো. তানভীর মাহমুদ, তার স্ত্রী ও চেয়ারম্যান জেসমিন ইসলাম, তানভীরের ভায়রা ও জিএম তুষার আহমেদ, হলমার্কের সহযোগী ও ভুয়া প্রতিষ্ঠান অ্যাপারেল এন্টারপ্রাইজের মালিক মো. শহিদুল ইসলাম, স্টার স্পিনিং মিলসের মালিক মো. জাহাঙ্গীর আলম, টি অ্যান্ড ব্রাদার্সের পরিচালক তসলিম হাসান, ম্যাক্স স্পিনিং মিলসের মালিক মীর জাকারিয়া, সেঞ্চুরি ইন্টারন্যাশনালের মালিক মো. জিয়াউর রহমান, আনোয়ারা স্পিনিং মিলসের মালিক মো. জাহাঙ্গীর আলম, প্যারাগনের এমডি সাইফুল ইসলাম রাজা, নকশী নিটের এমডি মো. আবদুল মালেক ও সাভারের হেমায়েতপুরের তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. জামাল উদ্দিন সরকার। এছাড়া সোনালী ব্যাংকের জিএম ননী গোপাল নাথ, জিএম মীর সহিদুর রহমান, সাবেক এমডি হুমায়ুন কবির, ডিএমডি মাইনুল হক, ডিএমডি আতিকুর রহমান, ডিজিএম শেখ আলতাফ হোসেন, ডিজিএম মো. সফিজউদ্দিন আহমেদ, এজিএম মো. কামরুল হোসেন খান, এজিএম এজাজ আহম্মেদ, জিএম এ. কে. এম. আজিজুর রহমান, এজিএম মো. সাইফুল হাসান, নির্বাহী কর্মকর্তা আবদুল মতিন এবং নির্বাহী কর্মকর্তা মেহেরুন্নেসা মেরি। উল্লেখ্য, ২০১২ সালের ৪ অক্টোবর হলমার্ক গ্রুপের এমডি, চেয়ারম্যান জেসমিন ইসলামসহ মোট ২৭ জনের বিরুদ্ধে ১১টি মামলা দায়ের করে দুদক। ওই মামলার অভিযোগে বলা হয়, সোনালী ব্যাংক কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগসাজশে রূপসী বাংলা হোটেল শাখা থেকে হলমার্ক মোট ২ হাজার ৬৮৬ কোটি ১৪ লাখ টাকা আত্মসাত্ করেছে। এর মধ্যে স্বীকৃত বিলের বিপরীতে পরিশোধিত (ফান্ডেড) অর্থ ১ হাজার ৫৬৮ কোটি ৪৯ লাখ ৩৪ হাজার ৮৭৭ টাকা জালিয়াতির মাধ্যমে আত্মসাত্ করা হয়েছে। ‘উপদেষ্টার সম্পর্ক আর্থিক নয়, সামাজিক’ এদিকে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) কমিশনার মো. সাহাবুদ্দিন চুপ্পু বলেছেন, হলমার্ক কেলেঙ্কারির প্রধান হোতা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মো. তানভীর মাহমুদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য বিষয়ক উপদেষ্টা ড. সৈয়দ মোদাচ্ছের আলীর সম্পর্ক সামাজিক। এখানে কোন আর্থিক লেনদেন হয়নি। যে কারণে তার নাম মামলার তদন্ত প্রতিবেদনে আসেনি। সোমবার রাজধানীর সেগুন বাগিচায় প্রধান কার্যালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।