অগ্রণী ব্যাংকের বিভিন্ন শাখায় ঋণ প্রদানে অনিয়মের অভিযোগে ব্যাংকের প্রধান শাখার আরো ছয় জন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১১টা থেকে বিকাল পর্যন্ত দুদকের প্রধান কার্যালয়ে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। দুদকের উপ-পরিচালক মো. নাসির উদ্দিনের নেতৃত্বে দুই সদস্যের একটি টিম তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করেন।
গতকাল যাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হলো তারা হলেন, অগ্রণী ব্যাংকের প্রধান শাখার ডিজিএম এ. এস. এম. ওয়ালীউল্লাহ, ডিজিএম মো. বজলুল রহমান, ডিজিএম মো. ফখরুদ্দিন সিদ্দিকী, ডিজিএম আমিরুল ইসলাম, ডিজিএম জহুর লাল রায় এবং ডিজিএম (ঋণ ও অগ্রীম) নজরুল ইসলাম।
দুদক সূত্র জানায়, অগ্রণী ব্যাংক থেকে অনিয়মের মাধ্যমে রোকো এন্টারপ্রাইজ লিমিটেড, জুলিয়াস সোয়েটার লিমিটেড, এমআর সোয়েটার লিমিটেড, ফজলুর রহমান অ্যান্ড কোম্পানি লিমিটেড, বিক্রমপুর ট্রেডার্স লিমিটেড এবং আর্ক ইন্টারন্যাশনাল অনিয়মের মাধ্যমে বিভিন্ন পরিমাণ ঋণ গ্রহণ করে। এ ঋণ প্রদানের ব্যাপারে ব্যাংক কর্মকর্তাদের কি ভূমিকা ছিল সেটা খতিয়ে দেখতে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।
এদিকে একই অভিযোগে এর আগে ব্যাংকের প্রধান শাখার এজিএম মো. শামছুল হুদা, এজিএম সিরাজুল ইসলাম, এজিএম (শিল্প ঋণ) মো. আব্দুস ছাত্তার, এজিএম মো. আজিজুল কবির, ডিজিএম মো. আখতারুল আলম, ডিজিএম মো. আবুল কাশেম এবং এজিএম মো. সালাউদ্দিনকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে দুদক টিম। উল্লেখ্য, অগ্রণী ব্যাংকের বিভিন্ন শাখায় ঋণ প্রদানের ক্ষেত্রে অনিয়মের ঘটনা অনুসন্ধানে গত এপ্রিল মাসে দুই সদস্যের একটি টিম গঠন করে দুদক। দুদকের উপ-পরিচালক মো. নাসির উদ্দিনের নেতৃত্বে এ টিমের অন্য সদস্য হলেন সহকারী পরিচালক কামরুজ্জামান।
