বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা মরণব্যাধি জলাতঙ্ক রোগের ১০ হাজার কুকুরের কামড়ের প্রতিষেধক ভ্যাকসিন দিচ্ছে। ইতিমধ্যে গত বুধবার বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা দুই হাজার এআরআই ভ্যাকসিন সরবরাহ করেছে। আগামী রবিবার বাকি ৮ হাজার ভায়েল ভ্যাকসিন স্বাস্থ্য অধিদফতরের কাছে সরবরাহ করবে বলে জানা গেছে।
গত মঙ্গলবার দৈনিক ইত্তেফাকে প্রকাশিত ‘জলাতঙ্ক প্রতিষেধক সরবরাহ বন্ধ’ সংবাদের প্রেক্ষিতে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা সংকট নিরসনে জরুরি ভিত্তিতে ১০ হাজার ভায়েল ভ্যাকসিন সরবরাহ করার কথা অধিদফতরকে জানিয়ে দেয়। এর আগে গত সোমবার থেকে মহাখালী সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতালে ও ঢাকার বাইরে এক সপ্তাহ আগ থেকে কুকুরের কামড়ের ভ্যাকসিন সরবরাহ বন্ধ ছিল। প্রতিদিন মহাখালী সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতালে চার শতাধিক কুকুরে কামড়ানো আহত রোগী আসে। আহতদের সে সময় ভ্যাকসিন না দিতে পেরে প্রাথমিক চিকিত্সা দিয়ে ফেরত পাঠায় কর্তৃপক্ষ।
অভিযোগ পাওয়া যায়, ভুক্তভোগীরা যাতে বাইরের কোম্পানি থেকে উচ্চমূল্যে ভ্যাকসিন কেনে সেজন্য দুই কর্মকর্তা সরকারিভাবে এআরআই ভ্যাকসিন সরবরাহ বন্ধ রাখেন। ঐ কোম্পানি থেকে মোটা অংকের উেকাচ পাওয়ার লোভে দুই কর্মকর্তা এ কাণ্ড করে বলে জানা গেছে।
স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. খন্দকার মো. সিফায়েত উল্লাহ বলেন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জরুরি ভিত্তিতে কুকুরের কামড়ের ভ্যাকসিন সরবরাহ করায় এখন আর সমস্যা নেই। তবে সরকারিভাবে সরবরাহ বন্ধ রেখে কোম্পানি থেকে উেকাচ গ্রহণের লোভে এ কাণ্ড ঘটিয়েছে কিনা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
