নবীনদের বরণ করে নেওয়াটাই চিরাচরিত নিয়ম , যার ধারাবাহিকতায় গত ১৭ সেপ্টেম্বর ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি (এনআইইটি) তাদের ১৩-১৪ শিক্ষাবর্ষের নবীনবরণ অনুষ্ঠিত হয় কাকরাইলস্থ ইনস্টিটিউটশন অব ডিপ্লে¬ামা ইঞ্জিনিয়ার্স (আইডিইবি) ভবনে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ কারিগরী শিক্ষা বোর্ডের মাননীয় চেয়ারম্যান প্রফেসর মো. আবুল কাশেম, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডক্টর রফিকুল ইসলাম মীর, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক বাংলাদেশ কারিগরী শিক্ষাবোর্ড; সৈয়দ মনিরুল ইসলাম, চেয়ারম্যান এমসিটি; ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল আজিজ, চেয়ারম্যান এনআইইটি নারায়ণগঞ্জ; অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল আলিম, চেয়ারম্যান এনআইইটি ঢাকা। উল্লে¬খ্য ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি (এনআইইটি) ১৪টি বিভাগের ১২শত নবীন শিক্ষার্থীদের বরণ করেন প্রাক্তন ছাত্র-ছাত্রীরা। অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্বে শুরু হয় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। সাংকৃতিক পর্বে ছিল এনআইইটি গার্মেন্টস ডিজাইন অ্যান্ড প্যাটার্ন মেকিং বিভাগের ছাত্র-ছাত্রীদের ডিজাইকৃত পোশাকের জমকাল ফ্যাশন শো।
এর আগে অনুষ্ঠানে শুরুতে এনআইইটির চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল আজিজ বলেন ‘আপনারা সকলেই জানেন, সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে একজন ডিপ্লে¬ামা প্রকৌশলী তৈরি করতে সরকারকে রাজস্ব খাত থেকে ব্যয় করতে হয় প্রায় ৬ লক্ষ টাকা। সেখানে বেসরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে একজন শিক্ষার্থীর পেছনে তার অভিভাবককে ব্যয় করতে হয় মাত্র ৮০ হাজার থেকে দেড় লক্ষ টাকা। ফলে গ্রামের সাধারণ পরিবারের শিক্ষার্থীরাও অতি সহজে বেকরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে অধ্যয়নের সুযোগ গ্রহণ করে প্রকৌশলী হয়ে বের হচ্ছে। এই প্রযুক্তিবিদ্যার কর্মবাজার ও স্বউদ্যোক্তা হিসেবে প্রবেশ করে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করছে এবং দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক উন্নয়নে, শিল্প ও অবকাঠামো উন্নয়নে গুরত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে। এই ডিপ্লে¬ামা প্রযুক্তিবিদরা বিশ্বের বিভিন্ন দেশে সম্মানজনক পেশায় নিয়োজিত থেকে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করছে এবং তা দেশে পাঠিয়ে জাতীয় অর্থনৈতিক উন্নয়নে গৌরবোজ্জ্বল ভূমিকা রেখে যাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি মানসম্মত কারিগরি শিক্ষা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে স্বল্প খরচে গরিব জনগণের সন্তানদেরকে ইঞ্জিনিয়ারিং শিক্ষার সুযোগ তৈরি করে দিচ্ছে।’ অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি বলেন, ‘আমার জানা মতে, বেসরকারি পলিটেকনিকালের মধ্যে এখন পর্যন্ত এনআইইটিতে সব থেকে বেশি শিক্ষার্থী রয়েছে।’
