তারুণ্যের অন্যলোক

আপডেট : ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৩, ১৭:৫০
প্রতিদিনের তারুণ্যময় জীবনে লাইফস্টাইল, ফ্যাশন আর নানা বিষয় নিয়ে তরুণদের জন্য এক আলাদা জগত্ দে খা র ছ বি শাইনিং ছবির কথা :নেই কোনো বিকৃত বীভত্স চেহারার আনাগোনা, নেই কোনো মানুষ কাটাকুটি বা নরখাদকের দৃশ্য কিংবা না আছে ভয়ানক আর্তচিত্কার বা হঠাত্ হঠাত্ পিলে চমকানো সাউন্ড ইফেক্ট, তবুও সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ সাইকোলজিকাল হরর সিনেমাগুলোর একটি এটি। ছবিটি যখন শুরু হয় তখন থেকেই চিত্রগ্রহণের মুন্সিয়ানা চোখে পড়ে। টপ অ্যাঙ্গেল থেকে অপার প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের বুক চিরে গাড়ি চালিয়ে যাওয়ার যে শট নেওয়া হয়েছে তা অতুলনীয়। বরফঘেরা সৌন্দর্য্যে ঝা চকচকে সুবিশাল বিলাশবহুল একটি হোটেলের চাকচিক্যের মধ্যেই যে আতঙ্ক আর দম বন্ধ করা ভয়ের সৃষ্টি হয় তা এই ছবি না দেখলে বোঝা যাবে না। কেন দেখবেন :কিংবদন্তি চলচ্চিত্রকার মার্টিন স্করসে এই ছবিটিকে অভিহিত করেছেন সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ ১১টি ভৌতিক ছবির একটি হিসেবে। == শো না র গা ন শিরোনামহীন ব্যান্ড :শিরোনামহীন শিরোনামহীনের ভক্তরা মুখিয়ে থাকেন তাদের নতুন গান শোনার জন্য। এ অ্যালবামে থাকছে ‘আচ্ছা ঠিক আছে’, ‘কিছু কথা’, ‘আবার হাসিমুখ’ ও ‘আততায়ী’ সহ মোট ১০টি গান। গানের কথা লিখেছেন যথারীতি ব্যান্ডের সদস্যরা। সুর ও সংগীত পরিচালনা করেছেন নিজেরাই। আগের ৪টি থেকে আলাদা করার চেষ্টা ছিল এবারের অ্যালবামটি। অ্যালবামের সঙ্গে থাকছে একটি বই। এতে শিরোনামহীনের প্রতিটি গানের কথা, গানগুলো নিয়ে বিভিন্ন গল্প ও ব্যান্ড সম্পর্কে নানা তথ্য থাকছে। কেন শুনবেন :বরাবরের মতো এবারও তাদের গানগুলোয় অ্যাকুস্টিক যন্ত্র ব্যবহারের প্রাধান্য পেয়েছে। এ ছাড়া সাউন্ড কোয়ালিটির দিকে বেশ নজর ছিল। কাজটি ভিন্ন হয়েছে। শ্রোতাদেরও এটি ভালো লাগবে। === গু ণী জ ন মার্ক টোয়েন মার্ক টোয়েনকে ইতিহাসের একজন স্বনামধন্য রম্য লেখক হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়। মার্ক টোয়েন অসম্ভব জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন তার অনবদ্য সৃষ্টি ‘টম স্যয়ার’ এবং ‘হাকলবেরি ফিন’ চরিত্রগুলোর মাধ্যমে। তার লেখা উপন্যাস ‘অ্যাডভেঞ্চার অব হাকলবেরি ফিন’কে অনেকেই আমেরিকার অন্যতম উপন্যাস বলে মনে করেন। খুবই সামান্য প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষায় শিক্ষিত এবং মাত্র এগার বছর বয়সে শিক্ষানবিস হিসেবে জীবন শুরু করা টোয়েনের জন্য এটা অনেক বড় পাওয়া। মার্ক টোয়েনের বয়স যখন মাত্র আঠার তখন নিউইয়র্ক, ফিলাডেলফিয়া, সেন্ট লুইসের বিভিন্ন লাইব্রেরিতে মুদ্রাকর হিসেবে কাজ করার সময় সন্ধ্যাবেলাটা কাটাতেন পাবলিক লাইব্রেরিতে। তার সেরা লেখার মধ্যে রয়েছে ‘অ্যাডভেঞ্চার অব টম সয়্যার’, ‘অ্যাডভেঞ্চার অব হাকলবেরি ফিন’, এ রকম আরও অনেক লেখা। == কে না কা টা হেডফোন বিভিন্ন দোকানে নানা ব্র্যান্ডের হেডফোনের ছড়াছড়ি। এসব ব্র্যান্ডের হেডফোন বা ইয়ারফোনের দাম নির্ভর করে মান, ব্র্যান্ড ও শব্দ শোনার ধরনের ওপর। আবার সাদামাটা হেডফোন যেমন দেখা যায়, তেমনি বাঁকানো হেডফোনও মিলছে। কোনো কোনো হেডফোন আবার ভাঁজ করেও রাখা যায়। ইয়ারফোনেও নানা ধরনের রং ও বিচিত্রতা লক্ষ করা যায়। ব্র্যান্ডের হেডফোনের মধ্যে ক্রিয়েটিভ ব্র্যান্ডের বিভিন্ন মডেলের হেডফোন পাওয়া যাচ্ছে ৭৫০ থেকে ১৪৫০ টাকার মধ্যে। এফোরটেক ব্র্যান্ডের হেডফোন পাওয়া যাচ্ছে ৫০০ থেকে ১২০০ টাকার মধ্যে। লজিটেকের বৈচিত্র্যময় হেডফোন পাওয়া যাচ্ছে ১২০০ থেকে ১২ হাজার টাকার মধ্যে। এই ব্র্যান্ডের কিছু হেডফোন কম্পিউটারের গেম খেলার জন্যও ব্যবহূত হয়।