অপবাদ সইতে না পেরে প্রেমিকার আত্মহত্যা

আপডেট : ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৩, ২১:২৫
সুনামগঞ্জে দিরাইয়ের সিংহনাথ গ্রামে গত শুক্রবার সকালে প্রেমিকের স্বজনদের মারধর ও অপবাদ সইতে না পেরে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে শিখা রানী বিশ্বাস (১৯) নামে এক প্রেমিকা আত্মহত্যা করেছে। ময়না তদন্ত শেষে লাশ আত্মীয়-স্বজনের কাছে ফেরত দিয়েছে। এলাকাবাসী ও পুলিশ জানায়, দীর্ঘদিন ধরে মৃত অশ্বিনী বিশ্বাসের ছেলে লিলু বিশ্বাসের সাথে প্রেম ছিল। এ নিয়ে উভয় পরিবারের মধ্যে দ্বন্দ্ব চলছিল, সালিশ বৈঠকও হয়েছে একাধিকবার। কিন্তু কিছুতেই ছেলের পরিবার ওই মেয়েকে ঘরে তুলতে রাজি হয়নি। শিখার বাবা উপেন্দ্র বিশ্বাস বলেন, মঙ্গলবার সকাল বেলা আমার মেয়েকে তাদের বাড়িতে ডেকে নেয় লিলু, বিকালে লিলুর পরিবারের লোকজন শিখাকে নানাভাবে অপবাদ দেয় ও মারধর করে। রাতে আমার প্রতিবেশী রইছ উদ্দিন ও জগদল গ্রামের বদরুল হোসেন আমার মেয়েকে আহত অবস্থায় সেখান থেকে নিয়ে আসেন। এ অপবাদ সইতে না পেরে শুক্রবার ভোর রাতে শিখা ঘরের পেছনে হিজল গাছের ডালে ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করে। গ্রামের ইউপি সদস্য মহিতোষ তালুকদার বলেন, প্রায় সাত বছর যাবত্ লিলু ও শিখার মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক রয়েছে। এ আত্মহত্যার জন্য লিলু ও তার পরিবারই দায়ী। ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুস ছালামও আত্মহত্যায় প্ররোচনাকারী লিলু তার মা ও ভাইদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন। থানার ওসি এনামুল হক বলেন, শিখার পরিবারের পক্ষ থেকে এ ধরনের কোন অভিযোগ পাননি, অভিযোগ পেলে মামলা নেয়া হবে।