প্র জ ন্মে র ফে স বু ক

সিনথিয়া’স মেকওভার

আপডেট : ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৩, ১৯:৫১
নারীর ব্যস্ত জীবনের অনিবার্য অনুষঙ্গে পরিণত হয়েছে পার্লার। মূলত নব্বইয়ের দশকে স্যাটেলাইট চ্যানেলগুলোর বিস্তারের পর থেকেই এই ব্যবসার বিপুল সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়। আইব্রোর প্লাক বা চুল কাটার মতো নিয়মিত সেবার পাশাপাশি ত্বক ও চুলের যত্ন, সৌন্দর্যবর্ধন ও রূপসজ্জার নানারকম সুযোগ থাকে পার্লারগুলোতে। শিক্ষার্থী, চাকরিজীবী বা গৃহিণী—সব ধরনের রূপসচেতন নারীর কাছেই ভালো পার্লারের চাহিদা অনেক। তাই এখন আর গুটিকয়েক নামীদামি পার্লারের মধ্যে এ ব্যবসা সীমাবদ্ধ নেই। অনেকেই ঘরে বসেই করছেন সৌন্দর্যবর্ধনের এই কাজ। তেমনই একজনকে নিয়ে এই আয়োজন ছোটবেলায় নিজেই নিজেকে নানাভাবে সাজাতেন। কখনোবা অন্যকে সাজানোতে উত্সাহ পেতেন। আর তখন থেকেই সাজের প্রতি একটা ভালোবাসা জন্মায়। একটু বড় হতেই আবার তার ভাবনায় ঘুরপাক খেতে থাকে, এমন কিছু একটা করবেন যার মাধ্যমে মানুষকে অনেক বেশি সুন্দর আর সুখী করে তোলা যাবে। আর এই ভাবনা থেকেই পড়াশোনার পাশাপাশি নারীকে সুন্দর হিসেবে গড়ে তোলার কারিগর হিসেবে নিজেকে তৈরি করতে থাকেন। বলছিলাম সিনথিয়ার কথা। আহসানউল্লাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের আর্কিটেকচারেপড়ুয়া সিনথিয়ার শুরুটা এমনই। আত্মীয়স্বজন, বন্ধু-বান্ধবদের নানা অনুষ্ঠানে তাকে নিয়ে যাওয়া হতো সাজিয়ে দেওয়ার জন্য। তখন অনেকটা শখের বসেই সাজাতে বসতেন। বন্ধুদের অনুরোধে নিতান্তই মজা করে ফেসবুকে নিজের নামের খুলে বসেন একটি অ্যাকাউন্ট—সিনথিয়া’স মেকওভার। কিন্তু পরিবর্তীতে সবার কাছেই এ পেজটি দারুণ গ্রহণযোগ্যতা পায় এবং ছোটখাটো ব্যবসায়িক মাধ্যম হয়ে ওঠে। বর্তমানে প্রায় ১০০০ জন এই পেজটি পছন্দ করেছেন। ফেসবুকে এই পেজের মাধ্যমে যোগাযোগ করে সহজেই সিনথিয়ার সৌন্দর্য সেবা নিতে পারেন যে কেউ। বিয়ের সাজ থেকে শুরু করে নানারকম মেকআপের কাজ তিনি করে থাকেন। এ ছাড়া এখানে মেহেদির কাজও করা হয়। আর্কিটেকচারের পড়ার সুবাদে সিনথিয়া ইন্টেরিয়র এবং ইভেন্টের কাজেও সমান দর্শী।