বাঙালি মানেই সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যে সমৃদ্ধ একটি জাতিসত্তার নাম। এই বাংলার ঐতিহ্যের সাথে জড়িয়ে রয়েছে বিভিন্ন শিল্প। আর এই শিল্পের মাধ্যমেই এক সময় বাংলাকে চিনত সারা বিশ্ব। কিন্তু প্রায় বিলুপ্তির পথে আমাদের এই ঐতিহ্যবাহী শিল্পগুলো। যার মধ্যে অন্যতম বাংলার বুকে যুগ যুগ যাবত সমাদৃত হওয়া মৃত্ শিল্প। পর্যাপ্ত সুযোগ-সুবিধার অভাব এবং চাহিদা অনুযায়ী স্বল্প মূল্য এবং প্রযুক্তির বেড়াজালে গড়ে ওঠা বিভিন্ন স্টিলের ব্যবহারের কারণে প্রায় ধ্বংসের মুখে মৃত্ শিল্প। এই শিল্পকে বাঁচিয়ে রাখার প্রচেষ্টা হিসেবে ‘বাংলা টেরাকোটা’ নামে গত ১৩ সেপ্টেম্বর হতে নয়দিনব্যাপী একটি ভিন্নধারার প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছে ঢাকার ধানমন্ডিস্থ দৃক গ্যালারিতে। এ নিয়ে আমাদের এবারের আয়োজন
মৃত্ শিল্পকে জাগিয়ে তুলতে এবং বিশ্বের দরবারে এই শিল্পের মাধ্যমে বাংলাদেশকে তুলে ধরতে কাজ করছেন সংগ্রামী কিছু মানুষ। তেমনি একজন তরুণ কুমার পাল। বংশগতভাবে এ পেশার সাথে যুক্ত তিনি।
বাংলার মৃত্ শিল্পকে জাগিয়ে তুলতে এবং শিল্পীদেরকে আবারও এই পেশায় আগ্রহী করে তুলতে ‘বাংলা টেরাকোটা’ নামের সংগঠন করেন তিনি। যা বাংলাদেশের মৃত্ শিল্প টিকিয়ে রাখতে চালিয়ে যাচ্ছে তাদের নিরলস প্রচেষ্টা। এই শিল্পকে বাঁচিয়ে রাখার প্রচেষ্টা হিসেবে ‘বাংলা টেরাকোটা’ গত ১৩ সেপ্টেম্বর হতে নয় দিনব্যাপী একটি ভিন্নধারার প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছে ঢাকার ধানমন্ডিস্থ দৃক গ্যালারিতে। প্রদর্শনীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন চন্দ্র শেখর সাহা ও সুকুমার পাল। তরুণ কুমার পালের সাথে প্রদর্শনী সম্পর্কে কথা বলে জানা যায়, অনেক মানুষের সমাগম হচ্ছে প্রদর্শনীতে। এবং খুব ভালো সাড়াও পাচ্ছেন তিনি। প্রদর্শনীতে রয়েছে গ্রাম বাংলার উপর করা বিভিন্ন ‘ওয়াল টাইলস’। রয়েছে বিভিন্ন ধরনের পাখির বাসা, ফুলদানি, ডিনার সেটসহ বিভিন্ন ব্যবহার যোগ্য জিনিস। এগুলোর মূল্যও রয়েছে সাধ্যের মধ্যেই। এ ধরনের প্রদর্শনীর মাধ্যমে আবারও মৃত্ শিল্পকে জাগিয়ে তোলা সম্ভব বলে মনে করেন তিনি।
