আমাদের নিশাত দেশের প্রথম নারী এভারেস্ট জয়ী

আপডেট : ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৩, ২০:১২
লক্ষ্মীপুর জেলার রামগঞ্জ উপজেলার ভাট্টা গ্রামের মজুমদার বাড়ীর বীর মুক্তিযোদ্ধা আঃ মন্নানের মেয়ে নিশাত মজুমদার ২০১২ সালের ৫ এপ্রিল বিশ্বের সর্বোচ্চ শিখর এভারেস্ট জয় করতে বাংলাদেশ ত্যাগ করেন এবং ১৯ মে বিজয় করে বিশ্ব দরবারে ইতিহাস রচনা করেন। বাংলাদেশি প্রথম নারী নিশাত ৩ জুন শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরন করে বলেন, ‘আমার এই বিজয়কে এ প্রজন্মের তরুণ-তরুণীদের উত্সর্গ করছি। তারা যেন মাদক ও অন্যান্য নেতিবাচক পথ ছেড়ে অ্যাডভেঞ্চারের পথে চলে আসে।’ এভারেস্ট জয়ের প্রধান গাইড মিংমা গ্যালজে শেরপাও তাঁদের সঙ্গে বাংলাদেশে আসেন। রামগঞ্জে অহংকার নিশাত মজুমদার ১৯৮১ সালে জম্মগ্রহণ করেন। নিশাত ফার্মগেটের বটমলী হোমস থেকে এস এস সি, শহিদ আনোয়ার গার্লস কলেজ থেকে এইচ এস সি, সিটি কলেজ থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন। ২০১০ সাল থেকে তিনি ঢাকা ওয়াসার কর্মরত আছেন। বিমানবন্দরে নিশাতের বাবা আবদুল মান্নান মজুমদার ও মা আশুরা মজুমদার, মুহিতের বাবা মো. মনোয়ার হোসেন, নাজমা আক্তার এমপি, রামগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোঃ শাজাহান, এডভোকেট শফিক মাহামুদ পিন্টু, ঢাকাস্থ রামগঞ্জ সমিতির সভাপতি লায়ন এম এ আউয়াল, বিজেমের নির্বাহী পরিচালক মির্জা তারেকুল কাদের, অগ্রজ সম্পাদক ও একপক্ষের ব্যবস্থাপনা সম্পাদক ফরিদ আহম্মেদ বাঙ্গালী, সাবেক চেয়ারম্যান শামসুল আলম বুলবুল, বাংলা মাউন্টেনিয়ারিং অ্যান্ড ট্র্যাকিং ক্লাবের (বিএমটিসি) সদস্যরা ফুলদিয়ে বরণ করেন । এভারেস্টে পা রেখে কেমন অনুভূতি হয়েছিল জানতে চাইলে নিশাত বলেন, ‘আমরা সব ধরনের বিপদ জয় করে মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে এসে এভারেস্ট জয় করেছি। দেশবাসী ও মা-বাবার দোয়া ছিল বলেই আমরা অলৌকিকভাবে বেঁচে গেছি। মনে হয়েছে, যেন দ্বিতীয় জীবন পেয়েছি।’ নিশাত বাংলা মাউন্টেনিয়ারিং অ্যান্ড ট্র্যাকিং ক্লাবের (বিএমটিসি) সদস্য। এভারেস্ট অভিযানের জন্য গত ৫ এপ্রিল বাংলাদেশ থেকে রওনা দেন। ১৯ মে বাংলাদেশের প্রথম নারী হিসেবে এভারেস্ট চূড়া জয় করেন নিশাত মজুমদার।