স্পোর্টস রিপোর্টার
৪ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হচ্ছে সপ্তম ক্যারিবিয় প্রিমিয়ার লিগ (সিপিএল)। ফ্রাঞ্চাইজিভিত্তিক এই টুর্নামেন্ট চলবে ১২ অক্টোবর পর্যন্ত।
টুর্নামেন্টের জন্য ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেট বোর্ড ৫৩৬ ক্রিকেটারের এক তালিকা প্রকাশ করেছে। ওয়েস্ট ইন্ডিজের ও বাইরের এই ক্রিকেটাররা নিলামে তাদের নাম তোলানোয় সম্মতি দিয়েছেন। এই তালিকায় পাঠানো হয়েছে সংশ্লিষ্ট দলগুলোর কাছে। এখান থেকে ৬ জন করে ক্রিকেটারকে পুরোনো দলগুলো ধরে রাখতে পারবে। যদিও ধরে রাখার কোনো বাধ্যবাধকতা নেই।
এবারের ড্রাফটে অন্যান্য দেশের ক্রিকেটারদের সাথে আছেন ১৮ জন বাংলাদেশি ক্রিকেটার। বাংলাদেশি এই ক্রিকেটাররা হলেন—তাসকিন আহমেদ, সাকিব আল হাসান, এনামুল হক বিজয়, লিটন দাস, জাকির হাসান, আরিফুল হক, আফিফ হোসেন, জুবায়ের হোসেন লিখন, তামিম ইকবাল, ইমরুল কায়েস, মেহেদী হাসান মিরাজ, মোহাম্মদ মিঠুন, সাব্বির রহমান রুম্মন, মুশফিকুর রহিম, আবুল হাসান রাজু, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, আবু হায়দার রনি এবং সাইফউদ্দিন।
এবারের সিপিএল ড্রাফটে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য নাম হলো ইরফান পাঠান। প্রথম ভারতীয় হিসেবে আইপিএল ছাড়া অন্য কোনো ফ্রাঞ্চাইজি টুর্নামেন্টের ড্রাফটে নাম দেখা গেলো তার। ইরফানের এই সংযোজনের ফলে বোঝা গেলো, ভারত তার বাইরের লিগ নিয়ে নীতি বদলাতে যাচ্ছে। আগেই শোনা গিয়েছিলো লঙ্কান প্রিমিয়ার লিগে ভারত বেশ কিছু ক্রিকেটারকে ছাড়পত্র দেবে। সেই সময়ে নীতি থেকে সরে আসার আগেই সিপিএলকে সেই ছাড়টা দিলো বিসিসিআই।
ইরফান ছাড়াও অ্যালেক্স হেলস, রশীদ খান, সাকিব আল হাসান, জোফরা আর্চার, জেপি ডুমিনির মতো ক্রিকেটারদের পাচ্ছে সিপিএল। এ ছাড়া তাদের নিজস্ব ক্রিকেটার আন্দ্রে রাসেল, সুনীল নারিন, ক্রিস গেইলরা তো থাকছেনই।
এবার সিপিএলের ড্রাফটে বিপুল ক্রিকেটারের নাম সংযোজনে দারুণ উচ্ছসিত আয়োজকরা। তারা মনে করছেন, এটা সিপিএলের জনপ্রিয় হয়ে ওঠার প্রমাণ দেয়। সিপিএলের টুর্নামেন্ট অপারেশন ডিরেক্টর মাইকেল হল বলেছেন, ‘এটা সত্য যে, এতো বেশি ক্রিকেটার আমাদের ড্রাফটে নাম লেখানো এটা প্রমাণ করে যে, আমাদের মান এখন কোন স্তরে। ক্যারিবিয়ান অঞ্চলে ক্রিকেট খেলাটা এমন একটা ব্যাপার, যেটার জন্য সব খেলোয়াড় মুখিয়ে থাকে।’
