জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের বার্ষিক অধিবেশনে ইরান ও মার্কিন কর্মকর্তাদের মধ্যকার আলোচনার পাশাপাশি স্থান পাবে সিরিয়া সঙ্কট নিয়ে আলোচনা। যুক্তরাষ্ট্র সময় মঙ্গলবার এ অধিবেশন শুরু হয়। এতে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মদ জাভেদ আল জাফরি যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জন কেরিসহ অন্যান্য কূটনীতিকদের সঙ্গে ইরানের পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা করবেন। খবর বিবিসির।
৩০ বছরেরও বেশি সময় পর এবারই যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সবচে উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে বসতে চলেছে ইরান। এ বৈঠকের পাশাপাশি কেরি রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভের সঙ্গে আলোচনা করে সিরিয়া ইস্যুতে মতবিরোধগুলো খুঁজে বের করার চেষ্টা করবেন। সিরিয়ার রাসায়নিক অস্ত্র ধ্বংস করার বিষয়টিতে মতৈক্যে পৌঁছার চেষ্টা চালাবেন দুইজন। এ মাসের শুরুতে রাশিয়া এবং যুক্তরাষ্ট্র সিরিয়ার রাসায়নিক অস্ত্র ২০১৪ সালের মধ্যে ধ্বংস করা নিয়ে চুক্তিবদ্ধ হয়েছে। তবে এ চুক্তি চ্যাপ্টার-৭ এর আওতায় জাতিসংঘ প্রস্তাবনা দিয়ে কার্যকর করা হবে কিনা তা নিয়ে দু’পক্ষে মতবিরোধ রয়েছে। যে প্রস্তাবনায় সিরিয়ার বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা এবং শক্তিপ্রয়োগের বিধান থাকবে।
ওবামার প্রত্যাশা : জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ভাষণে গতকাল মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা বলেন, পরমাণু ইস্যূ নিয়ে ইরানের কথার সাথে কাজের মিল থাকবে এমন প্রত্যাশা করে যুক্তরাষ্ট্র। এছাড়া সিরিয়ার রাসায়নিক অস্ত্র ধ্বংসের ব্যাপারে জাতিসংঘে কঠোর রেজুলেশনের আহ্বান জানান তিনি। ওবামা বলেন, এই রেজুলেশন এমন হওয়া উচিত যাতে বাশার আল আসাদের সরকার সত্যিকার অর্থে রাসায়নিক অস্ত্র ধ্বংস করতে বাধ্য হয়। ইরান সম্পর্কে তিনি আরো বলেন, আমরা দেশটির পারমানবিক কর্মসূচি নিয়ে সৃষ্ট জটিলতার শান্তিপূর্ণ সমাধান চেয়ে আসছি। ইরান যাতে কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরী করতে না পারে সে ব্যাপারে সজাগ থেকেছি। ইরানের পারমাণবিক ইস্যূর শান্তিপূর্ণ সমাধান হলে দেশটির পাশাপাশি আঞ্চলিক শান্তি বজায় থাকবে বলে মার্কিন প্রেসিডেন্ট উল্লেখ করেন।
