চার ভাগে বিভক্ত যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি দুই ভাগে এসে মিশেছে

আপডেট : ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৩, ২২:২৪
চারভাগে বিভক্ত যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির নেতা-কর্মীরা দুই ভাগে এসে মিশেছেন। সোমবার প্রধানমন্ত্রীর আগমনের সময় বিমানবন্দরে বিক্ষোভ শেষে বিভক্ত দুই অংশের নেতারা আলাদা সংবাদ সম্মেলন করলেও বিক্ষোভ কর্মসূচি দিয়েছেন অভিন্ন। দীর্ঘদিন থেকে নেতৃত্বের কোন্দলে চার ভাগ হয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি। বর্তমান সভাপতি আব্দুল লতিফ সম্রাট, সাবেক সাধারণ সম্পাদক জিল্লুর রহমান জিল্লুর, সহ-সভাপতি শরাফত হোসেন বাবু এবং যুগ্ম সম্পাদক আকতার হোসেনের বাদলের নেতৃত্বে এসব বিভক্ত অংশ পরিচালিত হয়ে আসছিল। সম্প্রতি দলের সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান কয়েকজন নেতাকে লন্ডনে তলব করে দিক নির্দেশনা দিয়ে এবং কমিটি দেয়ার আশ্বাস দিয়ে কোন্দল নিরসনের চেষ্টা চালান। কিন্তু লন্ডনে চার অংশের মধ্যে লতিফ সম্র্রাট ও জিল্লুর রহমান অংশকে ডাকার কারণে অন্য দুই অংশের নেতারা পৃথকভাবে সংগঠন পরিচালনা করছেন। এদিকে সোমবার সকালে জেএফকে এয়ারপোর্টে প্রধানমন্ত্রীকে কালো পতাকা ও বিক্ষোভ প্রদর্শনের জন্য বিএনপির সব অংশের নেতা-কর্মীরা একই স্থানে সমবেত হলেও সংগঠনের ব্যানার ব্যবহার নিয়ে শুরুতেই বাকবিতণ্ডার সৃষ্টি হয়। সন্ধ্যায় জ্যাকসন হাইটসের পালকি রেস্টুরেন্টে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন আব্দুল লতিফ সম্র্রাট, ডা. মুজিবুর রহমান মজুমদার, গিয়াস আহমেদ ও জিল্লুর রহমান জিল্লুর। সংবাদ সম্মেলনে তারা জানান, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন অনুষ্ঠানে হাসিনা সরকারকে বাধ্য করতে যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি আন্দোলন করছে। এদিকে একই দিন সন্ধ্যায় জ্যাকসন হাইটসের ফুড কোর্ট রেস্টুরেন্টে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পড়ে শোনান যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি ও ৩৪ অঙ্গ সংগঠনের প্রধান সমন্বয়কারী বেলাল মাহমুদ। লিখিত বক্তব্যে তিনি অভিন্ন কর্মসূচি ঘোষণার পাশাপাশি তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবি আদায়ে বিশ্ববাসীর দৃষ্টি আকৃষ্ট এবং সরকারের উপর চাপ সৃষ্টি করতে জাতিসংঘ মহাসচিব বান কি মুনের কাছে স্মারকলিপি দেয়ার কথা জানান। সংবাদ সম্মেলনে বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন সংগঠনের প্রধান শরাফত হোসেন বাবু। প্রধানমন্ত্রীর গণসংবর্ধনায় যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির নেতা-কর্মীদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। গণসংবর্ধনায় যাবেন কীনা এ প্রশ্নের জবাবে শরাফত হোসেন বাবু বলেন, আমরা দাওয়াত পেয়েছি। তবে যাব কীনা এ ব্যাপারে সাংগঠনিকভাবে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।