নির্বাচনী গণসংযোগের সময় গতকাল বুধবার পিরোজপুর-২ আসনের আওয়ামী লীগের এমপি মোঃ শাহ আলম মিয়া নাজিরপুরের শ্রীরামকাঠিতে নিজ দলের সন্ত্রাসীদের হামলার শিকার হয়েছেন। এ ঘটনায় তিনি অক্ষত থাকলেও তার সফরসঙ্গী স্বরূপকাঠির সারেঙ্গকাঠি ইউপি চেয়ারম্যান সায়েম, প্রধান শিক্ষক পঙ্কজ মন্ডল, জয় সূতারসহ ৪৫ জন আহত হন।
হামলার সময় স্বরূপকাঠি অঞ্চলের অনেক নেতা-কর্মী নদীতে ঝাঁপিয়ে পড়ে নিজেদের রক্ষা করেন। এ ঘটনার জন্য পিরোজপুর-১ আসনের এমপি ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এ কে এম এ আউয়াল সরাসরি দায়ী বলে অভিযোগ করেছেন এমপি মোঃ শাহ আলম মিয়া।
গতকাল বুধবার সকাল ১১টার দিকে স্বরূপকাঠির ইন্দুরহাট ও ভরতকাঠি খেয়াঘাট থেকে কয়েকটি যান্ত্রিক নৌকাযোগে এমপি শাহ আলম নেতা-কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে শ্রীরামকাঠি লঞ্চঘাটে পৌঁছান। এ সময় নাজিরপুরের শ্রীরামকাঠি বন্দরের একদল কর্মী এমপি শাহ আলমকে লঞ্চঘাটে উঠতে বাধা দেয় এবং কার অনুমতি নিয়ে নাজিরপুরে এসেছেন তা জানতে চায়। এ সময় নৌকায় থাকা শাহ আলম সমর্থকদের উপরে হামলা ও ইটপাটকেল নিক্ষেপ করা হয়। এ হামলার হাত থেকে বাঁচতে তখন অনেকে কালীগঙ্গা নদীতে ঝাঁপিয়ে পড়েন। খবর পেয়ে নাজিরপুর থেকে ওসি’র নেতৃত্বে একদল পুলিশ শ্রীরামকাঠি যায় এবং পিরোজপুর থেকেও অতিরিক্ত পুলিশ পাঠানো হয়। এরপর লঞ্চঘাটে কিছুক্ষণ থেকে এমপি শাহ আলম সঙ্গে থাকা লোকজন নিয়ে ভরতকাঠিতে চলে যান। তিনি চলে যাওয়ার পর হামলাকারীরা শ্রীরামকাঠি বন্দরে এমপি আউয়ালের পক্ষে শ্লোগান দিয়ে মিছিল করে। শাহ আলম ভরতকাঠি গিয়ে তাত্ক্ষণিকভাবে এক সংবাদ সম্মেলন করেন।
