এশিয়ায় অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধ এমন কয়েকটি দেশের মধ্যে মালয়েশিয়া অন্যতম। ইতোমধ্যে দেশটি শিক্ষা-দীক্ষা, শিল্প-সাহিত্য ও তথ্য-প্রযুক্তিতে বিশ্ববাজারে নিজেদের স্থান করে নিয়েছে। বিশ্বের প্রায় ১৫০টি দেশের শিক্ষার্থীরা এখানকার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে ভিড় করছে শিক্ষা অর্জনের লক্ষ্যে। এসব প্রতিষ্ঠানে রয়েছে গ্র্যাজুয়েট, পোস্ট গ্র্যাজুয়েট ও ডিপ্লোমা কোর্সসহ ক্যারিয়ারভিত্তিক বিভিন্ন প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা। তা ছাড়া এখান থেকে রয়েছে কানাডা, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, অস্ট্রেলিয়া ও সুইজারল্যান্ডে ক্রেডিট ট্রান্সফারের নিরবচ্ছিন্ন সুবিধা। এক কথায় ইউরোপ আমেরিকার শিক্ষা এখন মালয়েশিয়াতেই পাওয়া যায়। কারণ ওইসব দেশের হাইলি ট্রাস্টেড বা এ রেটেড প্রায় সকল প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ই এখন মালয়েশিয়াতে তাদের ক্যাম্পাস স্থাপন করেছে। যাদের শিক্ষার মান, অবকাঠামো এবং শিক্ষার পরিবেশ, সুযোগসুবিধা সব একই মানের। বরং শিক্ষার পরিবেশ, নিরাপত্তা ও আবহাওয়াসহ বিভিন্ন দিকে মালয়েশিয়াই ‘উত্তম’ বলে সেখানে পাঠরত অধিকাংশ শিক্ষার্থীদের অভিমত। বিশেষকরে মালয়েশিয়াতে ওই একই মানের শিক্ষাব্যয় থাকা-খাওয়াসহ ইউরোপের এক-তৃতীয়াংশ মাত্র! একই সাথে দেশটি বাংলাদেশ থেকে স্বল্প দূরত্বে হওয়ায় আমাদের জন্য সোনায় সোহাগা বৈকি। অন্যান্য দেশের মতো এখানেও খণ্ডকালীন চাকরির সুযোগ কমবেশি থাকলেও ভালো ফলাফলের বিবেচনায় সে পথ যতটা কম মাড়ানো যায়, ততই মঙ্গল বলে মনে করেন সিন্নামনের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক ও এডুকেশন কনসালটেন্ট কাজি শাকিল আহমেদ। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য যে, এই সেক্টরে দীর্ঘ সময় ধরে কাজ করছে এডুকেশন কনসালটেন্সি ফার্ম সিন্নামন ইন্টারন্যাশনাল। বিগত ৬ বছর ধরে তারা যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া ও মালয়েশিয়াসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ছাত্র ও ভিজিট ভিসা প্রসেসিংয়ের যাবতীয় কাজ করছে। এসব দেশে প্রতিষ্ঠানটির প্রচুর ভিসা প্রাপ্তির রেকর্ড রয়েছে। মালয়েশিয়াসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ছাত্র বা ভিজিট ভিসার বিষয়ে আরও বিস্তারিত জানতে যোগাযোগ করতে পারেন ৮৯৬০৪২৫ ও ০১৭৪৫৮২৩৭৮৯ নম্বরে এবং সরাসরি যোগাযোগ করতে পারেন সিন্নামন ইন্টারন্যাশনাল, বাড়ি-৩, রোড-১৪, সেক্টর-১, উত্তরা, ঢাকা। এদিকে সিন্নামন সঠিক উপায়ে নির্ভরযোগ্য ব্যাংক সলভেন্সির যাবতীয় ব্যবস্থা করার মধ্য দিয়ে একটি যুগান্তকারী উদ্যোগ হাতে নিয়েছে বলা চলে। শুধু ব্যাংক সলভেন্সি না থাকার কারণে শিক্ষাব্যয়সহ সকল কাগজপত্র কিংবা রিকয়্যারমেন্টস পরিপূর্ণ থাকার পরও বছরে প্রচুর শিক্ষার্থী উচ্চশিক্ষার্থে বিদেশ যাওয়া থেকে বঞ্চিত হয়। সিন্নামন নির্দিষ্ট কাজের বাইরে বিশেষ কিছু প্রোগ্রাম নিয়েও কাজ করে থাকে। এই কাজের ধারাবাহিকতায় শীঘ্রই তারা মালয়েশিয়ান মানবসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অধীনে পরিচালিত অন জব ট্রেনিং প্রোগ্রামের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা সপ্তাহে এক বা দুই দিন ক্লাস করে বাকি দিনগুলো যাতে কাজের মাধ্যমে শিক্ষা গ্রহণ করতে পারে, এমন এক বিশেষ প্রোগ্রাম নিয়ে কাজ শুরু করতে যাচ্ছে। এই সুযোগ-সুবিধার ফলে শিক্ষার্থীরা বছরে ৫ হাজার রিংগিত কোর্স ফি প্রদান করে ১০ হাজার রিংগিত আয় করতে পারবে। এই প্রোগ্রামের স্পন্সর হচ্ছে কেলাং ভেলি, মালয়েশিয়া’র ৪, ৫ ও ৬ তারকা মানের হোটেল কিংবা ফাইন-ডাইনিং রেস্টুরেন্ট ও তাদের ‘এফ অ্যান্ড বি, হাউজ কিপিং অ্যান্ড জেনারেল ওয়ার্কার্স’ ডিপার্টমেন্ট। ওজেটি নামক এই প্রোগ্রাম কেবল ১৮ থেকে ৩৫ বছর বয়সি স্মার্ট, সুদর্শন, সত্ ও পরিশ্রমী নারী-পুরুষদের জন্য। বিশেষকরে যাদের আছে শেখার মানসিকতা। উক্ত কোর্সে আবেদনের ক্ষেত্রে ন্যূনতম এসএসসি বা সমমানের সনদ ও ইংরেজিতে কথোপকথনের যোগ্যতা থাকতে হবে।
