মানসিক সমস্যায় থেকে বাঁচতে মানুষ ছোটে মনোবিশেষজ্ঞদের কাছে। মনের সমস্যা সমাধানে অক্লান্ত পরিশ্রম আর সেবার মাধ্যমে তারা আমাদের আরোগ্য করে তোলে। আর এ কাজের সাথে জড়িয়ে আছেন বিশ্বের অনেক মেধাবী তরুণ-তরুণী। তাদের কয়েকজনকে নিয়ে লিখেছেন প্রাঞ্জল সেলিম
ড. জো য়ে ল
লার্নভেস্ট ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা এবং সিইও হিসেবে কাজ করছেন ড. জোয়েল। এই প্রতিষ্ঠানের মূল উদ্দেশ্য হলো সেইসব মানুষের দিকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেওয়া যারা আর্থিকভাবে চিকিত্সা করতে অক্ষম। এমনিতে শরীরে কোনো রোগ-ব্যাধি হলে দরিদ্ররা রোগ নিরাময়ে আর্থিক কারণেই ডাক্তারের শরণাপন্ন হতে পারেন না। তারা বাধ্য হয়ে শারীরিক রোগবালাইকে অবহেলা করে থাকে। আর মানসিক রোগ হলে এ অবহেলা সবচেয়ে বেশি হয়। এমন ভাবনা থেকেই এগিয়ে এসেছিলেন ড.জোয়েল। বয়স হিসেবে তিনি একজন তরুণ চিকিত্সক। কিন্তু কোনো হাসপাতালে যুক্ত না হয়ে নিজ উদ্যোগে শুরু করেছেন সমাজ সেবামূলক এ কাজ। তুখোড় সংগঠকের পাশাপাশি মানসিক চিকিত্সক হিসেবে তার ব্যাপক খ্যাতি রয়েছে।
০০০০০
ব বি রে
‘দ্য কুলিনিস্টাস’ নামের একটি হাসপাতাল পরিচালনা করেন ববি রে নামের এই তরুণী। তিনি আমেরিকার ক্যালিফোর্নিয়া থেকে মেডিকেলে ডিগ্রি নেন। এরপর মনোচিকিত্সক হিসেবে প্রথমে বেশকিছু হাসপাতালে কাজ করেন। পাশাপাশি ব্যক্তিগত প্র্যাকটিসও চালিয়ে গেছেন। এরপর তার কিছু বন্ধুদের সাথে মিলে দাঁড় করান এই প্রতিষ্ঠানটি। এই সংস্থার মূল উদ্দেশ্য গরিবদের চিকিত্সা করা, তবে বিনামূল্যে নয়। যে যেমন খরচ বহন করতে পারবে তার কাছ থেকে সেই পরিমাণ অর্থই নেন তার প্রতিষ্ঠানটি। তবে তা নামমাত্রই বলা চলে। তার প্রতিষ্ঠানটিতে শারীরিক নানা চিকিত্সার পাশাপাশি মানসিক চিকিত্সাও করা হয়। মানসিক চিকিত্সার কাজটি তিনিই করেন।
০০০০
মা র্ক লু ফা র
স্পোরাউটার হাসপাতালের এক তরুণ মনোচিকিত্সক মার্ক। মাত্র ৩১ বছর বয়সেই তিনি নিজের ঝুলিতে বেশ কয়েকটি সফলতার পালক নিয়েছেন। তিনি আর্টিফিশিয়াল বায়োনিক আর্মস নিয়ে কাজ করতে চাইলেও, ভাগ্যের ফেরে মনোচিকিত্সকের তালিকায় নাম লিখিয়েছেন। অবশ্য এই কাজে তিনি বেশ দক্ষতার পরিচয়ও দিয়েছেন। বেশ কয়েকবার টাইমসের পাতায় তার নাম এসেছে। তিনি একটি ওয়েবসাইটও পরিচালনা করেন যেখানে মানসিক রোগের চিকিত্সায় বেশ অনলাইন সার্ভিস দেওয়া হয়। এ ছাড়া এই সাইটে মানসিক রোগ নিয়ে নিয়মিত লেখালেখি প্রকাশ করা হয়। মার্কের জন্ম নর্থ ডাকোটা শহরে। সেখানেই তার বেড়ে উঠা।
