আমাদের বাঙালি সংস্কৃতির অন্যতম ধারক হলো পাঞ্জাবি। ঈদে তো অবশ্যই, যেকোনো উত্সব বা পার্বণে পাঞ্জাবির বিকল্প নেই। তাই তো বাঙালির এ আদুরে পোশাকটিকে ঘিরে আগ্রহ আড়ম্বরতা সব সময়ই বেশি। তারুণ্যের পাঞ্জাবি হতে হবে সবার চেয়ে আলাদা, একটু ভিন্ন ধাঁচের কিন্তু আধুনিক। সব কিছুতেই ফ্যাশনের জন্য মানুষ নতুনত্ব পছন্দ করে। তাই নতুন কিছু এলে সবাই তা গ্রহণ করবে এটাই স্বাভাবিক। তেমনি ভাবনায় স্থাপত্যের শিক্ষার্থী মাজহারুল হক তন্ময় তার কয়েকজন বন্ধুকে সাথে নিয়ে গেল বছর শুরু করেন পাঞ্জাবি পেজটি। ইতোমধ্যেই ভিন্নধারার ডিজাইন দিয়ে গ্রাহকপ্রিয়তা পেয়েছেন তারা। ফেসবুক গল্পে চলুন শুনি তার
শুরুর কথা
শৈশব থেকেই একটু উচ্ছল প্রকৃতির ছিলেন তিনি। নিয়মের বেড়াজাল ভেঙে বেরিয়ে আসার প্রয়াস ছিল তার সব সময়ই। শৃঙ্খল তাকে আটকে রাখতে পারেনি খোদ পাঞ্জাবি ডিজাইনেও। বন্ধু নাজেম আর জিসানকে নিয়ে কুমিল্লার আসল খাদি সংগ্রহ থেকে শুরু করে নিজেই ওয়েল্ডিং মেশিন নিয়ে নেমে পড়তেন আকর্ষণীয় কোনোও বোতাম ডিজাইন করতে। এই হলো স্থাপত্যের একদল উচ্ছল তরুণদের একটা সাফল্যের পথে যাত্রা শুরুর গল্প। বন্ধু ফয়সাল আর জারিফও ততদিনে যুক্ত হয়েছেন। সবার লক্ষ্য, পাঞ্জাবিকে পরিচিত করাতে হবে। স্মার্ট ডিজাইন আর সেরা মানের কারণে পাঞ্জাবি বন্ধুদের মাঝে প্রথমে, এরপর অন্যদের মাঝেও পৌছে গেল। অল্প সময়েই তাদের ফেসবুকে পছন্দের সংখ্যা তিন অংক পার হয়। তন্ময় এখন এটাকে উত্তরোত্তর সামনে এগিয়ে নেওয়ার কথা ভাবছেন। ডিজাইন তো বটেই, পাঞ্জাবি বাঙালিয়ানার ছাপে কখনোই কার্পণ্য করবে না, এমনটাও জানালেন তিনি। তারা ঈদসহ উত্সব-পার্বণে ঢাকা শহরের একাধিক জায়গাতে প্রদর্শনী কেন্দ্র খুলে থাকেন। তাদের রয়েছে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে পাঞ্জাবি ডিজাইন ও সরবরাহের সুবিধাও। ফেসবুকে একবার ঢু মেরে দেখে আসতে পারেন তাদের নান্দনিক সংগ্রহ, তাদের অসাধারণ কাজের কিছু
নমুনা।
