এ দেশকে বিশ্বের দরবারে সম্মানের আসনে উন্নীত করতে নতুন প্রজন্ম সব সময়ই উদ্যোগী। তারা নিজের মেধা ও শ্রম দিয়ে সেই সফলতার প্রমাণও দিচ্ছেন। সেই ধারায় এদেশের নতুন প্রজন্মের এক প্রতিনিধি এয়ারক্রাফট মেইনটেনেন্স ইঞ্জিনিয়ার বাপ্পি। তার সাফল্যের গল্প নিয়ে লিখেছেন মো. জাকির হোসেন
বাপ্পি এইচএসসি পাস করার পর উচ্চশিক্ষা নিয়ে বেশ দ্বিধা-দ্বন্দ্বের মধ্যে পড়ে গিয়েছিলেন। বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী হিসেবে চিকিত্সক বা প্রকৌশলী হবেন এমন স্বপ্ন ছিল না তার। সবসময় চেয়েছেন বৈচিত্র্যপূর্ণ পেশায় ক্যারিয়ার গড়তে। যে কারণে খোঁজ করতে থাকেন সময়োপযোগী বিষয়ের। তখন তার নজর পড়ে ক্যাটেকের অ্যারোনটিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে পড়ার বিষয়টিতে। এরপর তাদের প্রধান ক্যাম্পাস উত্তরার এগার নম্বর সেক্টরে দুই নম্বর রোডে চৌদ্দ নম্বর প্লটে গিয়ে বিস্তারিত খোঁজ নেন এবং ভর্তি হন। প্রতিষ্ঠানটির সহযোগিতায় ভিসা নিয়ে চলে যান আয়ারল্যান্ডে। এখানে শ্যানন অ্যারোস্পেসে যোগ দেন। প্রতি মাসে তিনি অন্যান্য সুযোগের সাথে সাথে যথেষ্ট আয় করছেন। এ প্রসঙ্গে বাপ্পি বলেন, ‘এ বিষয়ে পেশা গড়া এখন যেমন সহজ, এটি আগে এত সহজ ছিল না। কেননা বর্তমানে বাংলাদেশেই এর শিক্ষা কার্যক্রম এবং প্রতিষ্ঠান রয়েছে। যা এক সময় বিদেশে গিয়ে সম্পন্ন করে আসতে হতো। কিন্তু এদেশে শিক্ষার সুযোগ থাকায় ব্যাপক সংখ্যক শিক্ষার্থী এ বিষয়ে উচ্চশিক্ষা নিয়ে ছড়িয়ে যাচ্ছে বিশ্বজুড়ে। আর এতে শুধু ছেলেরা নয়, একই হারে মেয়েরাও পেশাগত সাফল্য নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে। অ্যারোনটিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং হচ্ছে উড়োজাহাজের প্রকৌশলী বা এয়ারক্রাফট মেইনটেনেন্স ইঞ্জিনিয়ার। বিমান প্রকৌশল একটি হাইটেক প্রফেশন। যেখানে পুরো বিশ্বে বাংলাদেশি তরুণ প্রজন্ম সাফল্যের সাথে পেশাদার কর্মকাণ্ডে সমহারে ছড়িয়ে যাচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রের এডেক্সেল বোর্ডের আওতায় শিক্ষার্থী এই ডিগ্রি সম্পন্ন করে বিশ্বজুড়ে চাকরির সুযোগ নিতে পারছে। আর সারা বিশ্বে সরকারি-বেসরকারি উভয় ক্ষেত্রেই রয়েছে এই পেশায় চাকরির অবারিত সুযোগ।’
