রিংকন খান
ডিরেক্টর অব ‘ফটোগ্রাফি’
সুন্দর মানেই বৈচিত্র্য। অনেক সুন্দরকে একই সূত্রে গাঁথা বা একটা সময়কে দর্শকের সামনে জীবন্ত করে তোলাই হলো হচ্ছে একজন চিত্রগ্রাহকের মূল কাজ। একজন চিত্রগ্রাহক তার ক্যামেরায় নির্দিষ্ট সৌন্দর্যকে ধারণ করে দর্শকের সামনে ফুটিয়ে তোলেন। নিজের মেধা এবং মননের মাধ্যমে তিনি গড়ে তোলেন একটি শৈল্পিক চলচ্চিত্র। নিজের অনুভূতিগুলো সকলের মাঝে ছড়িয়ে দেওয়ার এই বৈচিত্র্যময় পেশা এই প্রজন্মের কাছে আজ অনেক সমাদৃত। তাই এবার এ পেশায় সফল একজনের কাছে জানব এ পেশায় ক্যারিয়ার গড়তে আগ্রহীদের জন্য তার পরামর্শ
খ্যাতিমান মিডিয়া ব্যক্তিত্ব আফজাল হোসেনের অনেক কাজ দেখার সুযোগ হয়েছে তার শুটিং স্পটে বসেই। তার বড় ভাই রিপন খান মিউজিক ডিরেক্টর। তার সাথেও ঘুরেছেন অনেক শুটিং এরিয়ায়। সেখান থেকেই অনুপ্রেরণা পান আর ক্যামেরার প্রতি আকর্ষণ জন্মে। বর্তমানে অসংখ্য নান্দনিক ভিডিওগ্রাফির পরিচালক রিংকন খান। সময়টা ১৯৯৮ সাল, ভিডিওর উপর একটা শর্ট কোর্স করে ফেলেন তিনি। এরপর ওয়ার্ল্ড ভিউ ইন্টারন্যাশনাল ফাউন্ডেশনে কাজ করার আমন্ত্রণ পান। তারপর শ্রীলঙ্কাভিত্তিক টেলিভিশন ইয়ং এশিয়াতেও কিছুদিন কাজ করেন তিনি। সেখানেই মূলত আনুষ্ঠানিকভাবে ক্যামেরার হাতেখড়ি। ২০০০ সাল থেকে নিজেই কাজ করা শুরু করেন। এই পেশা সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘ভিডিওগ্রাফি একটি সৃজনশীল কাজের জায়গা। এখানে কাউকে দিয়ে জোর করে কোনো কাজ আদায় করা যায় না। নিজের সৃজনশীলতা দিয়েই অনেক কাজ করতে হয়। নতুন নতুন চিন্তাভাবনার আশ্রয়ে নব প্রজন্মের জয়যাত্রা এখন, এর মূল কারণই নিজস্বতা আর দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন। নতুনদের মাঝে কাজ করার আগ্রহ প্রচুর, তবে শেখার আগ্রহ তুলনামূলক কম। তবে নতুন নতুন অনেক চিন্তাভাবনা প্রয়োগ করে তারা। যেটা সৃজনশীল মাধ্যমে টিকে থাকার জন্য খুব জরুরি। তারা প্রথমেই হয়তো খুব বড় মাধ্যমে কাজ করার সুযোগ পায় না। তবে মনে রাখতে হবে, যেটাই হাতে আসুক না কেন, তা ভালো করে করতে হবে। তাহলেই পরে অনেক কাজ হাতে আসবে।’ রিংকন খান মনে করেন, ডাক্তার-প্রকৌশলীরা যেমন তাদের বিষয় নিয়ে পড়াশোনা করেন, তেমনি ভিডিওগ্রাফিতেও পড়াশোনার প্রয়োজন রয়েছে, তা না হলে কাজটার প্রাথমিক অনেক জিনিস অজানা থেকে যায়।
