ডিএসই’র সূচক চার হাজারের নিচে

আপডেট : ২৯ সেপ্টেম্বর ২০১৩, ১৯:৪৩
দেড় মাস পর দেশের প্রধান শেয়ার বাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সূচক চার হাজারের নিচে নেমে এসেছে। রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার আশঙ্কায় বাজারে সূচক কমছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। তথ্যে দেখা গেছে, গতকাল ডিএসই’র ব্রড ইনডেক্স (ডিএসইএক্স) আগের দিনের তুলনায় ৪৪ পয়েন্ট কমে ৩ হাজার ৯৬৮ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। ডিএস-৩০ সূচক ১৫ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ৪৪৮ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। এদিন ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৩৩২ কোটি ১৬ লাখ ৭৪ হাজার ৭৫৭ টাকা। যা আগের দিনের চেয়ে ২৯ কোটি ৯ লাখ টাকা বেশি। লেনদেনকৃত ২৯১টি কোম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ৮১টির, কমেছে ১৯৫টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ১৫টি কোম্পানির শেয়ারের। এদিকে শেয়ারের দর অস্বাভাবিক হারে বাড়ার পেছনে কোনো মূল্য সংবেদনশীল তথ্য নেই বলে জানিয়েছে পুঁজিবাজারের তালিকাভুক্ত কোম্পানি জেএমআই সিরিঞ্জ অ্যান্ড মেডিক্যাল ডিভাইস লিমিটেড। এ জন্য বিনিয়োগকারীদের কোনো ধরনের গুজবে কান না দেয়ার পরামর্শ দিয়েছে কোম্পানিটি। গতকাল রবিবার ডিএসইকে কোম্পানিটি এ তথ্য জানিয়েছে। এদিকে ডিএসইতে তালিকাভুক্ত নর্দান জুট মেনুফ্যাকচারিং ও রহিমা ফুডের শেয়ারের দর বৃদ্ধির সর্বোচ্চসীমা স্পর্শ করায় কোম্পানি দুটির লেনদেন বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ডিএসই। গতকাল লেনদেনের শুরুতে কোম্পানি দুটির শেয়ার দর অস্বাভাবিক হারে বেড়ে হলটেড হওয়ায় ডিএসই এ সিদ্ধান্ত নেয়। ফলে সকাল থেকে এ দুটি কোম্পানির শেয়ারের কোনো লেনদেন হয়নি। এর আগে গত বুধবার রহিমা ফুডের শেয়ার দর অস্বাভাবিক হারে বৃদ্ধির কারণ খতিয়ে দেখতে এর শেয়ার লেনদেন উভয় স্টক এক্সচেঞ্জ কর্তৃপক্ষ স্থগিত রাখে। এছাড়া সাম্প্রতিক সময়ে নর্দান জুট এবং রহিমা ফুডের শেয়ার দর অস্বাভাবিক হারে বৃদ্ধির কারণে উভয় স্টক এক্সচেঞ্জ প্রতিষ্ঠান দুটিকে নোটিস দিয়েছে। নোটিসের জবাবে উভয় প্রতিষ্ঠান জানিয়েছে, কোম্পানির শেয়ার দর বৃদ্ধির পেছনে কোন মূল্য সংবেদনশীল তথ্য নেই।