মাত্র কয়েক বছর আগেও ঢাকায় ভালো এবং নামকরা রেস্টুরেন্ট ছিল হাতেগোনা কয়েকটি। কিন্তু সে চিত্র এখন অনেকটাই পাল্টে গেছে। শুধু দেশীয় ও চায়নিজই নয়, এখানকার মানুষ এখন পাচ্ছে অনেক দেশের খাবারের স্বাদ। রেস্তোরাটা বাইরে থেকেই অন্যরকমভাবে টানবে আপনাকে। বিশাল পার্কিং পার হয়ে ভেতরে যেতেই চোখে পড়বে তাদের আয়োজন। বাইরেও অনেকের বসার ব্যবস্থা রয়েছে। ভেতরে ঢুকতে প্রথমেই স্মোকিং জোন, সবমিলিয়ে প্রায় আড়াই শ জনের বসার ব্যবস্থা। আর খাবারের স্বাদের জন্যই প্রতিদিন এখানে ভিড় করছেন অনেকেই। ব্যবস্থাপক জানালেন, খাবারের ভালো মান, চোখ ধাঁধানো সাজসজ্জা, পরিবেশ এবং সুন্দর পরিবেশনা—সবদিক দিয়েই নতুনত্ব নিয়ে গড়ে ওঠা এই রেস্টুরেন্ট এরইমধ্যে দেশি-বিদেশি ভোজনরসিকদের কাছে বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। স্পিট ফায়ারে প্রতি বৃহস্পতি-শুক্রবার থাকে বুফে খাবারের আয়োজন। সেই দিনগুলোতে হাজির হলে হয়তো বাহারি কিছু খাবারের দেখা পাবেন নিয়মিতগুলোর বাইরে। আর নিয়মিত খাবারের মাঝে স্টেক, বার-বি-কিউ অথবা গ্রিলের যেকোনোও একটা বেছে নেওয়াই হবে বুদ্ধিমানের কাজ। স্পিট ফায়ার চাইলে আপনার বাসায় গিয়েও পার্টির জন্য রান্না করে দিয়ে আসবে। সে ক্ষেত্রেও কোনো বাড়তে খরচা নেই, শুধু ন্যূনতম ত্রিশ জন হতে হবে আপনাদের। আর তা না হলে আগে থেকেই ফোন করে এসে নিয়ে যেতে পারেন। সব মিলিয়ে মজার এক অভিজ্ঞতা আপনার জন্য। এক সন্ধ্যায় ঘুরেই আসুন স্পিট ফায়ার থেকে, বার-বি-কিউকে নিয়ে যান অন্যমাত্রায়।
এ ক ন জ রে
উদ্যোক্তা :এনামুল হক
কোথায় :এনডাব্লিউএফ ৮, গুলশান নর্থ এভিনিউ, গুলশান-২, ঢাকা।
কী খাবেন :বার-বি-কিউ অথবা গ্রিল
কবে যাবেন :সাপ্তাহিক বন্ধ নেই, প্রতিদিন খোলা থাকে সাড়ে ১১টা থেকে সাড়ে তিনটা, সাড়ে ছয়টা থেকে রাত সাড়ে দশটা পর্যন্ত।
রিজার্ভেশন :কোনো প্রকার ভেন্যু চার্জ ছাড়াই পার্কিংয়ের ব্যবস্থা রয়েছে। রিজার্ভেশনের জন্য বাড়তি কোনো খরচ নেই।
