ইসিকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ না দিলে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়

আপডেট : ০২ অক্টোবর ২০১৩, ২১:১৯
নির্বাচনী তথ্য, উপাত্ত, আইন ও বিধিমালা নিয়ে রচিত ‘বাংলাদেশ নির্বাচন’ গ্রন্থের প্রকাশনা উত্সবে বক্তারা বলেছেন, নির্বাচন কমিশনকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ না দিলে সুষ্ঠু নির্বাচন করা সম্ভব নয়। কমিশনার নিয়োগে নির্দিষ্ট কাঠামো থাকা দরকার। পাশাপাশি দরকার গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে আরো শক্তিশালী করা। মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্ট বার এসোসিয়েশনের মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বক্তারা এসব কথা বলেন। সাংবাদিক প্রণব সাহার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরিন শারমীন চৌধুরী, বিশেষ অতিথি ছিলেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা, নির্বাচন কমিশনার মোহাম্মদ আবদুল মোবারক প্রমুখ। বইটির রচয়িতা অ্যাডভোকেট এবিএম রিয়াজুল কবীর কাওছার। বইটি প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ নির্বাচন গবেষণা কেন্দ্র। অনুষ্ঠান সঞ্চালনে ছিলেন সুপ্রীমকোর্ট বার এসোসিয়েশনের সাবেক সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট শ ম রেজাউল করীম। স্পিকার ড. শিরিন শারমীন চৌধুরী বলেন, সঠিক ও বস্তুনিষ্ঠ তথ্য ও উপাত্ত যে কোন কর্ম পরিকল্পনা প্রণয়নে সহায়ক ভূমিকা রাখে, আর সুশাসন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে গণতান্ত্রিক বিধি ব্যবস্থায় বিভিন্ন পর্যায়ের সেবা দেয়ার জন্য বিভিন্ন আইন, বিধি ও পদ্ধতি বিষয়ে অবহিত থাকা খুব জরুরি। এ বইটি সহায়ক ভূমিকা পালন করবে। বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা বলেন, উন্নয়নশীল দেশে নির্বাচন ইস্যু হয়ে যায়। গণতন্ত্রের সংজ্ঞায় জনগণ ক্ষমতার উত্স। নির্বাচনে আমরা দলীয় মনোনীত প্রার্থীকে ভোট দেই। উন্নত দেশে জনগণ প্রথমে দলীয় প্রার্থী নির্বাচন করেন। তারপর নির্বাচনে তাকে ভোট দেন; কিন্তু আমাদের দেশে উঁচু মহল থেকে সিদ্ধান্ত হয় কে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। এটা জনগণের সঙ্গে ধোঁকাবাজি।