কানাডার ইমিগ্রেশনে নানামুখী অস্থিরতার কারণে কানাডিয়ানদের মধ্যে চলছে তীব্র অসন্তোষ। সমালোচনার মুখে সিটিজেন ও ইমিগ্রেশন মন্ত্রী জেসন কেনি জায়গায় দায়িত্ব পেয়েছেন কৃষ আলেকজান্ডার।
কনজাবেটিভ হারপার সরকার ২০০৮ সালে ক্ষমতা গ্রহণের পর থেকেই প্রতি নিয়ত অভিবাসনে নতুন নিয়ম নীতি, পদ্ধতি, সংস্কার চলছে। বর্তমানে প্রায় ১৩ লাখ কর্মক্ষম কানাডিয়ানদের কাজ নেই। ১০ লাখ কানাডিয়ান কাজ করছে তাদের নিচের যোগ্যতায়। আর তরুণদের মধ্যে বেকারত্বের হার জাতীয় গড় থেকে দ্বিগুণ। এই অবস্থায় প্রতিবছর আড়াই লক্ষ নতুন ইমিগ্রেন্ট এসে রীতিমত হিমশিম খাচ্ছে। এদের মধ্যে চারজনের তিনজনই অন্য পেশায় কাজ করতে বাধ্য হচ্ছেন।
এর পাশাপাশি স্পন্সর নীতি কঠিন করা, নাগরিকত্ব পাবার আবেদন বিলম্বিতকরণ, ২২ বছর বয়সী সন্তানরা অভিবাসী হওয়ার থেকে বঞ্চিত, অভিবাসীদের যোগ্যতা অনুযায়ী কর্মসংস্থান না করা, ধর্মঘটের কারণে কানাডার ট্যুরিস্ট ভিসা বন্ধ, তিন বছর সাকাচুয়ান অবস্থান করলে ১০স্বজন কানাডায় আনতে পারার প্রকল্প বাতিল, কানাডার নাগরিকত্ব পেতে হলে বৃটেনের রাণীর নামে শপথ নেয়া, বিভিন্ন প্রদেশে বিভিন্ন ধরনের দ্বৈতনীতিতে অনেকটাই বিরক্ত কানাডিয়ানরা।
