একজন মায়ের গর্ভধারণের সময় থেকে সেই শিশুর দ্বিতীয় জন্মদিন পর্যন্ত মোটামুটি ১০০০ দিন পুষ্টির ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। তাই এই সময়টুকুতে সৃষ্ট সমস্যা মোকাবেলায় জোর দিতে হবে বেশি। সিভিল সোসাইটি অ্যালায়েন্স ফর স্কেলিং আপ নিউট্রিশন, বাংলাদেশ (সিএসএ ফর সান, বিডি)-এর জেনারেল কমিটির বার্ষিক সভায় উপস্থিত সদস্যরা এই অভিমত ব্যক্ত করেন। সম্প্রতি রাজধানীর ব্র্যাক সেন্টারে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।
২০১২ সালে এই জোটের আনুষ্ঠানিক আত্মপ্রকাশের পর তার কর্মকাণ্ডের অগ্রগতি মূল্যায়ন করতে সভার আয়োজন করা হয়। সিএসএ-র কার্যনির্বাহী পরিষদের সদস্য বিভিন্ন আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা যেমন প¬্যান, সেভ দি চিলড্রেন, এইচকেআই, এফএইচআই ৩৬০সহ এদেশীয় উন্নয়ন সংস্থার প্রধান ও প্রতিনিধিরা এই সভায় উপস্থিত ছিলেন। সিএসএ ফর সানের সেক্রেটারিয়েট হিসেবে কাজ করছে ব্র্যাক। সভায় এফএইচআই ৩৬০-এর কান্ট্রি প্রোগ্রাম ম্যানেজার ডা. ফেরদৌসী বেগম বলেন, শুরুতে কিছু প্রতিবন্ধকতা থাকলেও এখন এই জোটের মাধ্যমে পুষ্টি বিষয়ক কাজের গতি দ্রুততর হবে।
সিএসএ ফর সানের চেয়ারপারসন ড. রোকসানা হায়দার বাংলাদেশের পুষ্টির একটি সামগ্রিক চিত্র তুলে ধরে বলেন, সংশ্লি¬ষ্ট সকল পক্ষের সমন্বিত প্রচেষ্টায় বিদ্যমান পুষ্টি সমস্যা মোকাবেলায় সান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারবে। জাতীয় পুষ্টি এজেন্ডা বাস্তবায়নে সিএসএ নিরলসভাবে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে। বাংলাদেশে পুষ্টিখাতকে অগ্রাধিকার দিতে সরকারের উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তাসহ নীতিনির্ধারক ও দাতা সংস্থাগুলোর সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে থাকে।
