বরিশালে স্ত্রী-কন্যা হত্যাকারী খোকন ঢাকায় গ্রেফতার

আপডেট : ০৪ অক্টোবর ২০১৩, ২২:২৭
বাবুগঞ্জ উপজেলার পাংশা গ্রামে স্ত্রী সুখী বেগম (২৫) ও তিন মাসের শিশু কন্যা আকলিমাকে হত্যার পর পালিয়ে থাকা ঘাতক খোকন হাওলাদারকে বৃহস্পতিবার ভোরে ঢাকার বাড্ডা এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে। দাম্পত্য কলহের জের ধরে গত ১৮ সেপ্টেম্বর রাতে খোকন তার স্ত্রী ও কন্যাকে জবাই করে হত্যা করে। সে নৌপথে ভোলায় গিয়ে নিজের মোবাইল ফোন বন্ধ করে দিয়ে লাপাত্তা হয়ে যায়। পুলিশ জানায়, কৌশলে আত্মীয়-স্বজনের মাধ্যমে ফাঁদ পেতে পুলিশ তার অবস্থান নিশ্চিত হয়। বৃহস্পতিবার রাতে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার আতিকুর রহমান মিয়ার নেতৃত্বে পুলিশ মামলার একমাত্র আসামি খোকনকে গ্রেফতারের জন্য ঢাকায় রওয়ানা হয়ে যান। গতকাল সকালে বাড্ডার সুবাস্তু এলাকা থেকে খোকনকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হন। ঢাকা থেকে মোবাইল ফোনে এডিসি আতিক সাংবাদিকদের জানান, হত্যাকাণ্ডের কথা স্বীকার করে খোকন পুলিশকে জানিয়েছে, ঘটনার রাতে স্ত্রীর সাথে ঝগড়ার পর একই বিছনায় ঘুমানোর ভান করেছিল খোকন। স্ত্রী ও কন্যা গভীর নিদ্রায় আচ্ছন্ন হয়ে পড়লে প্রথমে স্ত্রীকে ও পরে কন্যাকে হত্যা করে ঐ রুমের ভিতরেই রাত কাটিয়ে দেয়। পরদিন প্রত্যুষে খোকন তার মা ও বাড়ির অন্য ভাইদের কাছে স্ত্রী ও সন্তান ঘুমিয়ে আছে বলে তাদের জাগাতে নিষেধ করে লাপাত্তা হয়ে যায়। সকাল ১০ টা পর্যন্ত খোকনের স্ত্রী ঘুম থেকে না উঠায় বাড়ির লোকজন রুমে ঢুকে সুখী ও তার মেয়ের রক্তাক্ত লাশ দেখে থানা পুলিশকে খবর দেয়। নিহত সুখীর ভাই বাদী হয়ে খোকনের বিরুদ্ধে ঐ দিনই হত্যা মামলা দায়ের করেন। সুখী ছিল খোকনের তৃতীয় স্ত্রী। তার আরো দুই স্ত্রী রয়েছে।