পরামর্শ

আপডেট : ০৭ অক্টোবর ২০১৩, ১৮:৩১
ফারজানা ব্রিজের স্বত্বাধিকারী ফারজানা গাজী বলেন, ‘কয়েকদিন পরেই কোরবানির ঈদ। ঘরে ঘরে চলছে প্রস্তুতি। বাড়ির পুরুষেরা ব্যস্ত কোরবানির হাট নিয়ে। অপরদিকে গৃহিণীদের দম ফেলার ফুরসত নেই। ঘর-বাড়ি পরিষ্কার করতে তারা ব্যতিব্যস্ত। খেয়াল রাখতে হবে, এই ঈদে ঘরের আগে বাইরের জায়গাটুকু পরিষ্কার করতে হবে আগে। যেন কোরবানির পশু জবাই ও কাটাকাটির কাজটা স্বাস্থ্যসম্মতভাবে করা যায়। এরপর ঘরের ভেতর পরিষ্কার-পরিপাটি করার কাজে হাত দিতে হবে। ঘর গোছানোটা নির্ভর করে একেকজনের বাসা অনুযায়ী। আমি পছন্দ করি একেবারে সাদামাটা ঘর। যেখানে প্রয়োজনের বাইরে অন্য কোনো জিনিস থাকবে না। হালকা ফার্নিচার আসবাবপত্র আমার খুব পছন্দের। এই রকম আসবাপত্রই ঘরের শোভা বর্ধন করে। আর ঘরের মেঝে সব সময়ই পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। ঘরের সাথে মানানসই পর্দা থাকলে ভালো হয়। সাথে ঘরের স্পেস অনুযায়ী কয়েকটি টবে গাছ থাকলে মন্দ হয় না। বরং সবুজের সাথে আপনার মনটাও চিরসবুজ থাকবে। আর ঘরটাও হয়ে উঠবে নান্দনিক। ঘরের দেয়াল হালকা রং দিয়ে সাজাতে পারেন। আপনার প্রিয় রং দিয়ে পুরো বাসাটাই সাজাতে পারেন। বাসায় আয়না রাখতে পারেন বেশ কিছু। আয়না ঘরের স্পেসকে বড় ও সুন্দর করে। এই ঈদে রান্নাঘরের প্রতি বাড়তি যত্ন নিতে হবে। খেয়াল রাখতে হবে-মাংসের রক্ত, চর্বি যেন মেঝে বা তাকে না লেগে থাকে। এসব থেকেই দুর্গন্ধ ছড়ায়। মাংস কাটা ও রাখার স্থান তরল সাবান ও জীবাণুনাশক দিয়ে পরিষ্কার করে ফেলুন। এরপর এয়ার ফ্রেশনার ব্যবহার করুন। যাতে ভ্যাপসা গন্ধ না থাকে।’