ঈদের ছড়া

লুত্ফর রহমান রিটন-এর দুটি ছড়া

আপডেট : ১২ অক্টোবর ২০১৩, ১৯:৪৬
এক. এইটা মোটেও গুল না গত পরশু রাত্তিরে লোডশেডিং-এর প্রতাপ ছিলো জ্বলছিল না বাত্তি রে। অন্ধকারে হঠাত্ আমায় কে যে দিলো লাত্থি রে! মোমের আলোয় তাকিয়ে দেখি সামনে বিরাট হাত্তি রে! (সত্যি এটাই ঘটেছিলো, এইটা মোটেও গুল না নামটা আমার গুল মোহাম্মদ বাড়ি আমার খুলনা।) দুই. যাবি হনলুলু? আমি আর টুলু যাবো হনলুলু। তাই খুবই খুশি, আয় আয় কাছে আয় মারবো না ঘুষি। (মিঠে কথা শুনে কেউ কাছে আসলেই হঠাত্ ঢিঁশুম করে ঘুষি মেরে দেই। ঘুষি খেয়ে হাবাগুলো কাঁদে ভেউ ভেউ পালটা ঘুষিও মারে পাজি কেউ কেউ!) পাজিদের কাছে কেউ যাসনে রে বোকা গেলে খাবি ধোঁকা। ঘুষিতো দেবেই দেবে সাথে দেবে চাঁটি খামচে চেহারা তোর করে দেবে মাটি। আরো দেবে কিল দুনিয়ায় টিকে থাকা হবে মুশকিল। ওদিকে যাসনে তাই এদিকেই আয় হাবাগুলো খামোখাই শুধু মার খায়! আয় আয় গুটুমুটু আয় গুলুগুলু মার খেয়ে চোখ দেখি ঘুমে ঢুলুঢুলু!! চল তবে ঘুরে আসি, যাবি হনলুলু? দুটো ঘুষি খেয়ে দ্যাখ উড়ে যাবে ঘুম গাধা তবু দৌড় দিস! ঢিঁশুম ঢুঁশুম...