মহানগরীর নিরাপত্তায় পুলিশ ও র্যাবের ১৫ হাজার সদস্য

আপডেট : ১৪ অক্টোবর ২০১৩, ২১:৩৩
প্রিয়জনদের সঙ্গে ঈদ করতে বেশিরভাগ নগরবাসী এখন ঢাকার বাইরে অবস্থান করছেন। ফাঁকা এই নগরীর নিরাপত্তা দিবে পুলিশ ও র্যাবের ১০ হাজার সদস্য। এদের মধ্যে পুলিশের ১০ হাজার সদস্যকে সংশ্লিষ্ট থানা এলাকার ডিউটির পাশাপাশি আবাসিক এলাকার দিকে সবচেয়ে বেশি নজর দেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। ঈদের আগের দিন কোরবানির পশুর হাট ছাড়াও বাস টার্মিনাল, লঞ্চ টার্মিনাল ও রেলস্টেশনে বিশেষ নজর দিচ্ছে পুলিশ। এরপরও এসব এলাকায় অজ্ঞান পার্টি ও মলম পার্টির উত্পাত রয়েই গেছে। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-কমিশনার মাসুদুর রহমান বলেন, ঈদে ঘরমুখী মানুষ যাতে ছিনতাইকারী ও মলম পার্টির খপ্পরে না পড়েন এজন্য টার্মিনাল কেন্দ্রিক পুলিশের স্ট্রাইকিং ফোর্স গঠন করা হয়েছে। ঈদের দিন জাতীয় ঈদগাহসহ বড় মসজিদগুলোতে পুলিশের নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকবে। তিনি আরো বলেন, ফাঁকা ফ্ল্যাট ও বাড়িতে চুরি রোধ করতে সংশ্লিষ্ট এলাকার থানার ওসিদের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। অন্যদিকে ঈদে র্যাবের ৫ হাজার সদস্য বিশেষ দায়িত্ব পালন করবেন। র্যাবের মিডিয়া এ্যান্ড লিগ্যাল শাখার পরিচালক উইং কমান্ডার হাবিবুর রহমান বলেন, অগ্রিম পদক্ষেপ হিসাবে র্যাবের সাদা পোশাকধারী দলের গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করে দেশব্যাপী নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। ঢাকাসহ দেশব্যাপী গুরুত্বপূর্ণ পশুর হাট, পশু পরিবহন, গার্মেন্ট শিল্প, বিপণী বিতান, বাস ও রেলস্টেশন, লঞ্চ টার্মিনাল এবং ফেরিঘাটে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। ঢাকার কোরবানির পশুর হাটে র্যাবের অস্থায়ী ক্যাম্প স্থাপনের মাধ্যমে নিরাপত্তা কার্যক্রম বৃদ্ধি করা হয়েছে। ঢাকায় প্রবেশ ও নির্গমন পথসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থানে পেট্রোলিং ডিউটি জোরদার করার পাশাপাশি মাঝে মাঝে মোবাইল চেক পয়েন্ট স্থাপন করে তল্লাশি করা হচ্ছে। র্যাবের বোম ডিসপোজাল ইউনিট ও র্যাব ডগ স্কোয়াড সার্বক্ষণিকভাবে বিভিন্ন কোরবানির পশুর হাট, বাস, ট্রেন, লঞ্চ স্টেশন ও বিভিন্ন স্থানে আকস্মিক স্যুইপিং কার্যক্রম পরিচালনা করছে। এছাড়াও যেকোন অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা রোধকল্পে র্যাবের প্রতিটি ব্যাটালিয়নে বিশেষ স্ট্রাইকিং রিজার্ভ ফোর্স সার্বক্ষণিকভাবে প্রস্তুত রাখা হয়েছে।