ঝুঁকি নিয়ে পার হয় ১৫ গ্রামের মানুষ

আপডেট : ১৮ অক্টোবর ২০১৩, ২১:৩০
নদীবেষ্টিত কাউখালী উপজেলার ২টি ইউনিয়নসহ পার্শ্ববর্তী দুই উপজেলার ১৫ গ্রামের প্রায় ২০ হাজার লোক সন্ধ্যার উত্তাল ঢেউয়ে মৃত্যুভয়ে জীবন-জীবিকার সন্ধানে নৌকা ও ট্রলারে প্রতিদিন পারাপার হচ্ছে। কাউখালী উপজেলার সয়না রঘুনাথপুর ইউনিয়ন ও আমরাজুড়ী ইউনিয়ন এবং স্বরূপকাঠী ও পিরোজপুর সদরের ৫টি ইউনিয়নের প্রায় ২০ হাজার মানুষের কাউখালী উপজেলা সদরে ব্যবসা-বাণিজ্য, লেখাপড়া, অফিস-আদালতসহ জীবন-জীবিকার সন্ধানে বিভিন্ন কাজে যাতায়াতের একমাত্র ভরসা সন্ধ্যা নদীর পশ্চিম পাড়ের সোনাকুর খেয়াঘাট। বর্ষা মৌসুমে সোনাকুর ও ধাবরী খেয়াঘাটের নৌকা পারাপার হতে গিয়ে প্রতি বছর ঝড়ের কবলে পড়ে নৌকাডুবির ঘটনা ঘটে। এতে অনেক প্রাণহানির ঘটনাও ঘটেছে। ফলে ঐ এলাকার ১৫ গ্রামের প্রায় ১৮ হাজার মানুষ এই আধুনিক যুগেও যোগাযোগ ব্যবস্থার আধুনিকতার কোন ছোঁয়া না পেয়ে দুর্বিষহ জীবনের মৃত্যুভয় নিয়ে বাধ্য হয়ে কাজের তাগিদে সন্ধ্যা নদী পারাপার হচ্ছে। এব্যাপারে ২নং আমরাজুড়ি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান কৃষ্ণ লাল গুহ বলেন,‘সন্ধ্যা নদীর সোনাকুর খেয়া পারাপারের লক্ষ্যে ১৫ গ্রামের প্রায় ১৮ হাজার মানুষ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে দ্বীপ অঞ্চলে বসবাস করছে।