বরিশালে ঢাকামুখী যাত্রীদের ঢল

১১টি লঞ্চ দিয়ে ভিড় সামলানো যাচ্ছে না

আপডেট : ১৯ অক্টোবর ২০১৩, ২৩:০৫
দুর্গাপূজা ও ঈদ-উল আজহার ৬ দিনের টানা ছুটি শেষে দক্ষিণাঞ্চলের ঢাকাগামী হাজারো যাত্রীদের ভিড়ে গতকাল শনিবার লঞ্চ-বাসে তিল ধারণের ঠাঁই ছিল না। কর্মস্থলে ফিরে যাওয়ার প্রতিযোগিতায় যাত্রীদের যেন স্রোত নেমেছে আধুনিক নৌবন্দর ও বাস ষ্ট্যান্ডগুলোতে। লঞ্চ ও বাস কর্তৃপক্ষ পূর্ব প্রস্তুতি অনুযায়ী স্পেশাল সার্ভিস প্রস্তুত রাখলেও তা পর্যাপ্ত নয় বলে যাত্রীরা জানিয়েছে। ঈদ-উল আজহার ছুটি শেষে গতকাল দক্ষিণাঞ্চলের কয়েক হাজার যাত্রী সড়ক ও নৌ-পথে ঢাকায় পাড়ি জমাতে মরিয়া হয়ে ওঠে। সংশ্লিষ্ট সূতে জানা গেছে, যাত্রীদের অতিরিক্ত চাপ সামলাতে লঞ্চ মালিক সমিতি অতিরিক্ত ৬টিসহ মোট ১১টি লঞ্চ দিয়ে যাত্রী চাপ সামলাতে পারছে না। নৌবন্দর এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, সুন্দরবন ৭ ও ৮, সুরভী ৭ ও ৮, কীর্তনখোলা ১ ও ২, পারাবত ২-৯-১১, টিপু-৭, দ্বীপরাজ সার্ভিসে থাকলেও তাতে ছিল তিল ধারণের ঠাঁই। জাহাজে স্থান না পেয়ে অনেক যাত্রীকে ফিরে যেতে দেখা গেছে। একাধিক যাত্রীরা জানায়, লঞ্চের কাউন্টারগুলোতে কোন টিকেট নেই। ঈদের পূর্বেই বিক্রি হয়ে গেছে। যাত্রীদের অভিযোগ, ঈদ এলেই সড়ক ও নৌ-পথে যাতায়াতকারী লঞ্চ ও বাসের টিকিট চলে যায় কালো বাজারিদের হাতে। এতে যাত্রীদের সীমাহীন দূর্ভোগ পোহাতে হয়। সরেজমিনে লঞ্চ ঘাটে গিয়ে দেখা গেছে, সুরভী, পারাবত, টিপু, কালাম খান, কীর্তনখোলা, সুন্দরবন লঞ্চের ষ্টাফরা তাদের সিটগুলো ৮থেকে ১১শ টাকায় যাত্রীদের কাছে বিক্রির জন্য দরকষাকষি চলছে।