রাজধানীতে সব ধরনের সভা-সমাবেশের উপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ; কিন্তু পুলিশের মুখপাত্র ডিএমপির উপ-কমিশনার (মিডিয়া) মাসুদুর রহমান ইত্তেফাককে বলেছেন, নিষেধাজ্ঞা মানে সব ধরনের সভা-সমাবেশে নিষেধাজ্ঞা নয়। কেউ কোন সভা বা সমাবেশ করতে চাইলে পুলিশ কমিশনারের কাছে আবেদন করতে পারেন। প্রত্যেকটি আবেদন যাচাই-বাছাই করেই সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। অরাজনৈতিক কোন সভা বা সমাবেশ থাকলে এবং ওই সভা বা সমাবেশের কারণে আইন-শৃঙ্খলাজনিত কোন সমস্যা হওয়ার সম্ভাবনা না থাকলে তাদের অনুমতি দেয়া হবে।
তবে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে গতকাল পেশাজীবী সংগঠনের সমাবেশের ব্যাপারে মাসুদুর রহমান বলেন, এটি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশেই অনুমতি দেয়া হয়েছে। তাদের ১৪টি শর্ত দেয়া হয়েছিল। আগামী ২৫ অক্টোবর দুই প্রধান রাজনৈতিক দলের পল্টাপাল্টি সমাবেশ নিয়ে মানুষের মধ্যে চরম উত্কণ্ঠা থাকায় গতকাল রবিবার সকাল ৬টা থেকে রাজধানীতে সভা-সমাবেশ, মিছিল, মানববন্ধন, লাঠি মিছিল ও অবস্থান নিষিদ্ধ ঘোষণা করে ডিএমপি। এ প্রেক্ষাপটে সম্মিলিত পেশাজীবী পরিষদের কনভেশন নিষেধাজ্ঞার আওতায় ছিল।
নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হবেঃ এদিকে স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট শামছুল হক টুকু গতকাল দুপুরে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নিজ দফতরে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে বলেন, জান-মালের নিরাপত্তার স্বার্থে যৌক্তিকভাবেই রাজধানীতে সভা-সমাবেশে নিষেষধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। রাজনীতির নামে অরাজকতা সৃষ্টি করছে বিরোধী দল। তাই পুলিশ জান-মালের কথা বিবেচনা করে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তবে এ নিষেধাজ্ঞা স্থায়ী কিছু নয়। পরিবেশ-প্রেক্ষাপট বিবেচনা করে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হবে।
