[ আ লো ক পা ত ]

নির্বাচনকালীন প্রশাসনের ভূমিকা কী রূপ হবে

আপডেট : ২১ অক্টোবর ২০১৩, ২১:০১
পুজা এবং ঈদের ছুটি কাটতে না কাটতেই শেষ হয়ে যাবে সাংবিধানিকভাবে সরকারের মেয়াদের প্রথম ধাপ। ১২ অক্টোবরে প্রকাশিত দৈনিক ইত্তেফাকে প্রকাশিত শীর্ষ সংবাদ ‘কি ঘটবে ২৫ অক্টোবর: ব্যাপক জল্পনা-কল্পনা, শঙ্কা’— শিরোনামের প্রতিবেদনটি পড়ে আবার নতুন করে মনে প্রশ্ন জাগলো দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন কখন হবে এবং কীভাবে হবে। এই মুহূর্তে পরিস্থিতি বিবেচনা করে নির্বাচনকালীন সরকার নিয়ে সম্ভাব্য সংঘাতের সম্ভাবনাকেও একদম উড়িয়ে দেয়া যাচ্ছে না। কারণ বিগত দু’দশকের বেশি সময় ধরে গণতান্ত্রিক সরকারের শেষ বছরে এসে বাংলাদেশে নির্বাচনকালীন সরকার প্রশ্নে সংঘাত ও সহিংসতার রাজনীতি অনিবার্য হয়ে উঠেছে। ক্ষমতাসীন দল বেশিরভাগ সময়ই ক্ষমতা ধরে রাখার নানা ফন্দি ও বায়না ধরেছে আর বিরোধী দল তা প্রতিরোধের চেষ্টা অব্যাহত রেখেছে। এবারও একপক্ষ পঞ্চদশ সংশোধিত সংবিধান মোতাবেক নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছে অন্যপক্ষ নির্বাচন ঠেকানোর জন্য নির্বাচন-প্রতিরোধ কমিটি গঠনের ঘোষণা দিয়েছেন। এমন সব কর্মসূচিকে সামনে রেখেই ইতিমধ্যেই সরকারি দল ও বিরোধী দল ২৫ অক্টোবর পাল্টাপাল্টি সমাবেশ করার অনুমতি চেয়েছে। দুই প্রধান রাজনৈতিক দল একসঙ্গে ঢাকায় সমাবেশ করার অনুমতি পেলে এর ফলাফল কী হবে সেটি কিছুটা অনুমান করা যায়। বিএনপি হরতাল-অবরোধের মতো বড় কর্মসূচি দিয়ে রাজনীতির মাঠকে উত্তপ্ত করবে এবং এতে জনজীবন চরমভাবে বিপর্যস্ত হয়ে উঠবে পাশাপাশি আওয়ামী লীগ নির্বাচনমুখী তত্পরতা অব্যাহত রাখবে। এক্ষেত্রে বলতে দ্বিধা নেই যে, এসব তত্পরতায় দেশে রাজনৈতিক দলগুলো যে সুশাসন ও গণতন্ত্রের কথা বলে সেই সুশাসন ও গণতন্ত্রের পথ রুদ্ধ হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে যথেষ্ট। এবারের অক্টোবরের এমন ঘোষণায় দেশবাসীকে বিগত মেয়াদের নব্বই-পরবর্তী অন্য বেশিরভাগ সরকারের শেষ দিনগুলোর কথা স্মরণ করিয়ে দেয়। কারণ সবসময়ই প্রায় একই দাবি নিয়ে আন্দোলন-সংগ্রাম অব্যাহত ছিল। অর্থাত্ নির্বাচনকালীন সরকার কেমন হবে, সরকারের প্রধান কে হবেন এমন সব বিতর্কই মুখ্য হিসেবে কাজ করেছে। বর্তমান সরকার আগামী ২৫ অক্টোবর থেকে নির্বাচনকালীন সরকার হিসেবে দায়িত্ব পালন করবে, এমন ধারণা থেকেই এই তারিখটি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা। ইতিমধ্যেই উক্ত সময়-পরবর্তী বিরোধী দল সংসদ ভেঙে দেয়ার দাবিও জানিয়েছে। সাংবিধানিকভাবে বিবেচনা করলে ২৫ অক্টোবরে পর দেশের শাসন পরিচালনায় পরিবর্তনের কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। সংবিধানের ১২৩ (৩) ধারা নির্বাচনের সময় নির্ধারণে করে দিয়েছে- হয় তা হবে মেয়াদ শেষ হওয়ার আগের ৯০ দিনের মধ্যে, নতুবা সংসদ ভেঙে দেয়ার পরের ৯০ দিনের মধ্যে। সংবিধানের কোথাও লেখা নেই, নির্বাচনকালে সরকারের আকার কী হবে, তার দায়িত্ব কী হবে। প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদের সঙ্গেও সংসদ থাকা না থাকার বিষয় জড়িত নয়, ৫৭ (৩) ধারা অনুযায়ী পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী শপথ না নেয়া পর্যন্ত তিনি বহাল থাকবেন। মন্ত্রীদের মেয়াদ বিষয়ে ৫৮ (৩) ধারা বলেছে, সংসদ ভেঙে গেলেও তাদের দায়িত্ব পালনে কোনো বাধা নেই, আর যখন সংসদ বহাল আছে, তখন তাদের ক্ষমতা হ্রাসের কোনো বিধান নেই, থাকতে পারে কিনা সেটাও প্রশ্নসাপেক্ষ। উল্লেখ্য যে, প্রধানমন্ত্রী একাধিকবার বলেছেন, নির্বাচন-পূর্ব ৯০ দিন শুরু হয়ে গেলে সরকার কেবল দৈনন্দিন কাজ চালাবে, এর বেশি কিছু নয়। গত ২ সেপ্টেম্বর সচিবদের সঙ্গে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী কেবল এ কথাই বলেননি যে সংসদ তার মেয়াদ পূর্ণ করবে, তিনি এ-ও বলেছেন যে সংসদ ও মন্ত্রিসভা দু-ই বহাল থাকবে। প্রধানমন্ত্রী চাইলে বর্তমান মন্ত্রিসভা অপরিবর্তিত থাকবে, চাইলে তার আকার ছোট হবে, চাইলে বড় হবে। কিন্তু তা কোনো অবস্থাতেই সংবিধান দিয়ে নির্ধারিত হবে না। মন্ত্রিসভার আকার-আকৃতি যেমন প্রধানমন্ত্রীর মর্জির ওপর তেমনি তার উপদেষ্টাদের পদত্যাগেও কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। তবে ২৫ অক্টোবরের পর প্রশাসনব্যবস্থা বিশেষ করে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারীবাহিনী কেমন ভূমিকা পালন করবে তা নিয়ে কিছুটা দ্বিধাদ্বন্দ্ব রয়েছে। এক্ষেত্রে উল্লেখ না করলেই নয় যে, রাজনৈতিক সরকার, মন্ত্রিসভা এবং অন্যান্য কাঠামো যদি নিষ্ক্রিয় হয়, তবে প্রশাসনের দায়িত্ব বর্তায় জনপ্রশাসনের ওপর। কিন্তু আসন্ন এই অবস্থায় তাদের ক্ষমতা ও কর্তৃত্ব বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে কোনো দিক নির্দেশনা দেয়া হয়েছে কিনা তা আমার জানা নেই। ২৫ অক্টোবরের পরে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটলে তার মোকাবিলা করার ক্ষেত্রে প্রশাসন কী ধরনের ব্যবস্থা নেবে, তা যেমন ধারণা করা যায় না তেমনি প্রশাসনের নেওয়া ব্যবস্থা যে রাজনৈতিক বিবেচনা-প্রসূত বলে বিবেচনা হবে না, তার নিশ্চয়তা পাওয়ার কোনো উপায় নেই। নির্বাচনকালীন সময়ে প্রশাসনের ভূমিকা কি রূপ হবে তার উপর অনেক কিছু নির্ভর করবে। বর্তমানে দেশের জনসাধারণের অনেকেই মনে করছে বিএনপির অংশগ্রহণ ছাড়াই নির্বাচন হতে যাচ্ছে। এমন অবস্থার প্রেক্ষিতে ইতিমধ্যেই জাতীয় পার্টির নেতা সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মোহাম্মদ এরশাদ একাধিকবার বলেছেন যে অন্যান্য দল অংশগ্রহণ না করলে তিনি এবং তার দল এই নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে ‘জাতীয় বেঈমান’ হতে চাইবে না (প্রথম আলো, ১০ অক্টোবর ২০১৩)। এমন ঘোষণার পরও এরশাদের এই বক্তব্যের ওপর রাজনৈতিক দলের নেতারা বিশ্বাস রাখতে পারছে না, কারণ ইতিপূর্বে এরশাদের সিদ্ধান্ত অনেক পরিবর্তন হতে দেখা গেছে। পত্র-পত্রিকায় প্রকাশিত সরকারের উচ্চপর্যায়ের স্থানীয় সূত্রগুলোর বিভিন্ন মতামত বিশ্লেষণে পাওয়া যায় যে, সরকার মনে করে বিএনপি আন্দোলন করে সরকারকে চাপে ফেলতে পারবে না। বর্তমান সরকারের প্রতি আন্তর্জাতিক মহলের সমর্থন রয়েছে যথেষ্ট। যদিও আন্তর্জাতিক মহল সকল রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণে নির্বাচন অনুষ্ঠানের ব্যাপারে খুব বেশি জোর দিচ্ছে। বিভিন্ন পত্রিকায় প্রকাশিত প্রধানমন্ত্রীর ঘনিষ্ঠ সূত্র থেকে জানা যায় যে, প্রধানমন্ত্রী মনে করেন যে, বিএনপি নির্বাচন প্রতিহত করতে পারবে না। এরশাদের শাসনকালে ১৯৮৮ সালের নির্বাচন বিএনপি ও আওয়ামী লীগ যৌথভাবে আন্দোলন করেও ঠেকাতে পারেনি। তবে ওই নির্বাচন দেশে বিদেশে কোথাও গ্রহণযোগ্যতা পায়নি। একইভাবে ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন দেশে-বিদেশে কোথাও গ্রহণযোগ্যতা পায়নি। শেষ পর্যন্ত নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবি মেনে নিতে বাধ্য হয় সরকার। আবার ২০০৭ সালের ২২ জানুয়ারি বিএনপির একদলীয় নির্বাচন প্রায় হতে যাচ্ছিল। আওয়ামী লীগ ওই নির্বাচনে মনোনয়ন জমাও দিয়েছিল। পরবর্তীতে আওয়ামী লীগ মনোয়ন প্রত্যাহার করে নিলে বিএনপির বেশ কিছু প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিতও হয়েছিলেন। কিন্তু ২০০৭ সালের ১১ জানুয়ারিতে সেনা-সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার ক্ষমতা গ্রহণ করায় সে নির্বাচনটিও হয়নি। কাজেই আগামীতে নির্বাচন নিয়ে কেমন পরিবেশ তৈরি হতে পারে তা কারো বুঝতে বাকি থাকার কথা নয়। আওয়ামী লীগের কয়েকজন জ্যেষ্ঠ মন্ত্রী জানান, নির্বাচনে ভোট কারচুপির কোনা ইচ্ছা নেই সরকারের। যদিও এ যুগে মিডিয়ার সক্রিয় তত্পরতা ও সচেতনতার ফলে কারচুপি এখন প্রায় অসম্ভব। এ কারণে বিরোধী দলের অংশগ্রহণ ছাড়াই নির্বাচনে ভোটারদের ব্যাপক অংশগ্রহণের বিষয়টি নিশ্চিত করার চেষ্টা করা হচ্ছে। গত ১০ অক্টোবর প্রথম আলোতে প্রকাশিত প্রথম আলোর জনমত জরিপে এ মুহূর্তে আওয়ামী লীগকে ভোট দিতে চান ৩৬ দশমিক ৫ শতাংশ মানুষ। আর জাতীয় পার্টিকে ভোট দিতে চান ৭ শতাংশ। দুটি মিলে মোট ৪৩ দশমিক ৫ শতাংশ হয়। আওয়ামী লীগের মিত্র বাকি দলগুলোর উল্লেখ করার মতো কোনো ভোট কিংবা জনসমর্থন নেই। এ অবস্থায় আওয়ামী লীগের কাঙ্ক্ষিত ৫১ শতাংশ ভোটার উপস্থিতির বিষয়টি নিয়ে যথেষ্ট সংশয় থেকে যায়। নির্বাচন কমিশনের সূত্রে বর্তমানে মহাজোটের মধ্যে সংসদে প্রতিনিধিত্ব রয়েছে আওয়ামী লীগ, জাসদ, ওয়ার্কার্স পার্টি ও জাতীয় পার্টির। এর মধ্যে জাতীয় পার্টির নিজের পরিচয়ে নবম জাতীয় সংসদে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছে। বাকিরা আওয়ামী লীগের প্রতীক ‘নৌকা’ নিয়ে জয়ী হয়েছেন। তবে নিজস্ব প্রতীকেও জাসদের ২৫ জন এবং বাংলাদেশ ওয়ার্কার্স পার্টির তিনজন নির্বাচন করেছিলেন। আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীক নিয়ে জাসদের তিনজন এবং বাংলাদেশে ওয়ার্কার্স পার্টির দুজন সদস্য নির্বাচিত হন। এ দু-দলের মধ্যে জাসদ সমষ্টিগতভাবে প্রদত্ত ভোটের ০.৭৪ এবং ওয়ার্কার্স পার্টি ০.৩৮ শতাংশ ভোট পেয়েছিল। অপরদিকে আওয়ামী লীগ পেয়েছিল ৪৮.১৩ শতাংশ। কাজেই ১৪ দলীয় জোটের এই তিনটি দল, যারা সংসদে প্রতিনিধিত্ব করছে, তাদের ভোটের শতাংশ ছিল ৪৯.২৫। অবশ্য জাতীয় পার্টি পেয়েছিল ৭.০৭ শতাংশ ভোট। ১৪ দলীয় জোটের বাদ বাকি পার্টির কোনোটি ০.২৫ শতাংশ ভোটও পায়নি। কাজেই দশম সংসদ নির্বাচনে বিরোধী জোটেবর্জিত এবং ঘোষিত চ্যালেঞ্জের মুখে ৫১ শতাংশ ভোটারের ভোট প্রদান বাস্তবিকপক্ষে কতটুকু সম্ভব তা ভেবে দেখার বিষয়। যদিও সরকার বারবারই বলছে যে, তাদের অধীনে ২৭ অক্টোবর থেকে ২৪ জানুয়ারির মধ্যে সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচন হবে। এ অবস্থায় কয়েকটি প্রশ্ন তৈরি হয়। সেগুলো হলো, প্রধান বিরোধী দল কি নির্বাচনে যাবে? যদি না যায় তাহলে কি একতরফা নির্বাচন হবে? একতরফা নির্বাচন হলে দেশের সার্বিক পরিস্থিতি কেমন হবে? বিভিন্ন জরিপ, আলোচনা, মতামত এবং টকশোতে বুদ্ধিজীবী ও রাজনীতিবিদদের বক্তব্য শুনে মনে হয়েছে সব দলের অংশগ্রহণ ছাড়া নির্বাচন শান্তিপূর্ণ হবে না। এমনকি সংসদ বহাল রেখে নির্বাচনের বিষয়টিও সবার মনে প্রশ্ন জাগিয়ে তোলে। বর্তমানে ‘লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড’ টার্মটি যথেষ্ট বিবেচ্য বিষয়। তা সত্ত্বেও সরকারি দল নিজেদের অধীনেই সংসদ বহাল রেখে নির্বাচনের দিকেই এগিয়ে যাচ্ছে। নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর নির্বাচনের পরিবেশ তৈরি করা, বজায় রাখা এবং ভোটারের নিরাপত্তা বিধান করা নির্বাচন কমিশনের ওপর বর্তাবে। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্বও কমিশনের ওপর বর্তাবে। এক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশনকে শক্তিশালীকরণের বিকল্প নেই। উল্লেখ্য যে, নির্বাচন কমিশনও সংসদ বজায় রেখে নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছে। এখনো গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের সর্বশেষ সংশোধনীতে এ ধরনের নির্বাচনে কমিশনকে কতটুকু শক্তিশালী করতে হবে তা পরিষ্কার নেই। ২০১০ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিলের সময় থেকেই ক্ষমতাসীন দল সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের স্বার্থে নির্বাচন কমিশনকে শক্তিশালীকরণের কথা বলে আসছে। সবশেষে একথা বলা যায় যে, নির্বাচন কমিশন শক্তিশালী হোক বা না হোক, সবার অংশগ্রহণে একটি অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনই জনগণের কাছে কাম্য। কোনো সংঘাত কিংবা সহিংসতার পথকে হাতছানি না দিয়ে একটি শান্তিপূর্ণ গণতান্ত্রিক ধারা অব্যাহত রাখলেই দেশের মানুষ শান্তি পাবে এবং স্বস্তির নিঃশ্বাস নেবে। এ দায়িত্ব সরকারি দল ও বিরোধী দল উভয়েরই। তবে রাজনৈতিক দলসহ সকলকে মনে রাখতে হবে নির্বাচনই গণতন্ত্রের শেষ কথা নয়, এটি গণতন্ত্রের অন্যতম প্রধান ভিত্তি মাত্র। কাজেই ভিত্তিপ্রস্তর মজবুতভাবে গড়ে তোলার ক্ষেত্রে সকলকে সচেতন হতে হবে। লেখক: সহকারী অধ্যাপক, রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ই-মেইল: [email protected]