নীলফামারী-৪ আসন

আওয়ামী লীগের প্রতিপক্ষ আওয়ামী লীগ!

আপডেট : ২১ অক্টোবর ২০১৩, ২১:৪৩
নির্বাচনের দিনক্ষণ যতই ঘনিয়ে আসছে ততই প্রার্থীর ভিড়ে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগে দলীয় বিশৃঙ্খলা প্রকাশ্য রূপ নিচ্ছে। সংসদীয় আসন নীলফামারী-৪ (সৈয়দপুর-কিশোরগঞ্জ) আসনে আওয়ামী লীগের প্রতিপক্ষ হয়ে উঠেছে আওয়ামী লীগ। এ আসনে মনোনয়ন প্রত্যাশী ৭ জন প্রার্থীর শোডাউনে তাদের মধ্যে দলাদলি দেখা দিয়েছে। সৈয়দপুর ও কিশোরগঞ্জে ৭ প্রার্থীর তত্পরতায় দলীয় নেতা-কর্মীরা ৭ ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়েছেন। ফলে বিশৃঙ্খলার মধ্যে চলছে দলের সাংগঠনিক তত্পরতা। এতে করে আসন্ন নির্বাচনী যুদ্ধে জয় নিয়ে তৃণমূলের নেতা-কর্মীরা আস্থাহীনতায় ভুগছেন। আগামী সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী বাছাইয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সম্প্রতি সৈয়দপুর-কিশোরগঞ্জ এলাকার নেতাদের বৈঠকের পর থেকেই মূলত দলের মধ্যে বিভক্তি প্রকাশ্য আকার ধারণ করেছে। ওই বৈঠকে নীলফামারী-৪ আসনে মনোনয়ন প্রত্যাশী প্রার্থীদের সম্পর্কে শীর্ষ নেতাদের মতামত সংগ্রহ করা হয়। প্রার্থিতা নিশ্চিত করতে দৌড়ঝাঁপ শুরু করেছেন সম্ভাব্য প্রার্থীরা। তৃণমূলে সভা-সমাবেশসহ পোস্টারিং ও বিলবোর্ড টাঙিয়ে জোরালোভাবে নিজের অবস্থান জানান দিচ্ছেন। গ্রুপিং জিইয়ে রেখে প্রার্থীর সমর্থকরা চালিয়ে যাচ্ছে তাদের নিজ প্রার্থীর পক্ষে প্রচার-প্রচারণা। এই আসনে বর্তমান সংসদ সদস্যসহ ৭ জন প্রার্থী দলীয় মনোনয়ন পেতে দলের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে তত্পরতা চালিয়ে যাচ্ছেন। এরা হচ্ছেন বর্তমান সংসদ সদস্য কর্ণেল (অব:) মারুফ সাকলান, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতা আমেনা কোহিনুর আলম, বিশিষ্ট শিল্পপতি মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব আমিনুল ইসলাম সরকার, সাবেক পৌর মেয়র আখতার হোসেন বাদল, প্রকৌশলী সিকান্দার আলী, ব্যারিস্টার মোকছেদুল ইসলাম ও কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ নেতা মোশারফ হোসেন। এই ৭ জন প্রার্থীর পক্ষে দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা প্রকাশ্যে এবং অপ্রকাশ্যে অবস্থান নেয়ায় মনোনয়ন নিয়ে একে অপরের প্রতিপক্ষ হয়ে উঠেছেন। নিজ নিজ সমর্থকদের নিয়ে তৃণমূলে করছেন ঘন ঘন বৈঠক। তৃণমূলের এসব বৈঠকে প্রার্থীরা প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থী সম্পর্কে সমালোচনা করতেও পিছপা হচ্ছেন না।