সমঝোতার দ্বার খোলায় সন্তোষ সিইসির

আপডেট : ২২ অক্টোবর ২০১৩, ২২:৫৫
প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী রকিবউদ্দিন আহমদ বলেছেন, সব দলের অংশগ্রহণে শান্তিপূর্ণ নির্বাচনই সবার প্রত্যাশা। শান্তিপূর্ণ ক্ষমতা হস্তান্তরই গণতন্ত্রের মূলমন্ত্র। বিদ্যমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে ‘সমঝোতার দ্বার খোলায়’ সন্তোষ প্রকাশ করেছেন তিনি। সিইসি বলেছেন, প্রধান দুই জোটের প্রস্তাবেরর পর ‘সমঝোতার’ বিষয়টি দেশবাসী উদ্বিগ্ন হয়ে দেখছেন। গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যায় কমিশন কার্যালয় থেকে বেরোনোর সময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি একথা বলেন। নির্বাচনকালীন ক্ষণ গণনা ২৭ অক্টোবর থেকে শুরু হচ্ছে জানিয়ে সিইসি বলেন, ৩৫-৪৫ দিন সময় নিয়ে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হবে। নির্বাচনকালীন সরকার পদ্ধতি নিয়ে সমঝোতার জন্য ইসি আর অপেক্ষা করবে কিনা জানতে চাইলে তিনি জানান, যে সমাধানই আসুক তার প্রতিফলন থাকবে নির্বাচনী আচরণবিধিতে। যেভাবে সমাধান আসবে সেভাবে নির্বাচন হবে। খুব শিগগির প্রার্থী ও রাজনৈতিক দলেল আচরণবিধি প্রণয়ন হবে উল্লেখ করে সিইসি বলেন, তফসিল ঘোষণার পরই আচরণবিধি কার্যকর হবে। প্রধানমন্ত্রী ও বিরোধী দলীয় নেতার প্রস্তাবের পর চিঠি চালাচালিতে ‘সংকটের বরফ গলছে’ বলে মনে করেন তিনি। শেষ পর্যন্ত রাজনীতিতে ভালো সমাধান আসবে বলে আশা করেন তিনি। সেই সঙ্গে সবার অংশগ্রহণের হবে শান্তিপূর্ণ নির্বাচন। এদিকে নির্বাচনীকালিন সময়ে মন্ত্রী-এমপিরা প্রটোকল পাবেন প্রটেকশন (নিরাপত্তা) পাবেন না বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) মো. জাবেদ আলী। এমনকি সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচন হলে নির্বাচনকালীন সময়ে মন্ত্রী-এমপিরা সরকারি কোনো সুযোগ-সুবিধা ভোগ করতে পারবেন না বলে জানান নির্বাচন কমিশনার। তিনি আরও বলেন, সংশোধিত নির্বাচনী আচরণবিধির খসড়ায় এটি অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে। গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে নির্বাচন কমিশন (ইসি) কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপে নির্বাচন কমিশনার এসব কথা জানান। সরকারি সুযোগ-সুবিধা নিয়ে যাতে কেউ নির্বাচনী ক্যাম্পেইন করতে না পারে সেইভাবেই আচরণবিধি সংশোধন করা হচ্ছে জানিয়ে জাবেদ আলী বলেন, বর্তমান সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচন হলে মন্ত্রী-এমপিরা প্রার্থী হবেন। সেক্ষেত্রে লেভেল ফিল্ড তৈরিতে যে ধরনের আচরণবিধি দরকার আমরা সেইভাবে আচরণবিধি সংশোধন করছি।