দিনাজপুরের ফুলবাড়িতে আলুর বাজার পড়ে যাওয়ায় আর্থিক লোকসানের মুখে পড়েছেন আলু ব্যবসায়ীরা। লোকসানের বোঝা বেড়ে যাওয়ার আতঙ্কে কোল্ড স্টোরেজ থেকেও আলু তুলছেন না তারা। ব্যবসায়ীদের মজুদ আলু নিয়ে বিপাকে পড়েছেন কোল্ড স্টোরেজ কর্তৃপক্ষ।
পৌর বাজারের খুচরা আলু ব্যবসায়ী মো. হারুন ও মমতাজ আলী বলেন, হঠাত্ করে আলুর দাম কেন যে পড়ে গেলো তা তাদের বোধগম্য নয়। আলুর দাম পড়ে গেলেও চাহিদা বাড়েনি বরং কমে গেছে। এক মাস আগে যে আলু প্রতি কেজি ১৮ থেকে ২০ টাকা দরে বিক্রি হতো সেই আলু এখন বিক্রি হচ্ছে ৯ থেকে ১০ টাকা দরে। তারপরও ক্রেতা মিলছে না।
আলুর পাইকারি ব্যবসায়ী আব্দুল মাজেদ, গোলাম মোস্তফা, অজিত প্রসাদ ও মঞ্জিল মোরশেদ বলেন, দাম পড়ে যাওয়ায় কোল্ড স্টোরেজে রাখা আলু নিয়ে বিপদে পড়েছেন তারা। ৮৪ কেজি ওজনের এক বস্তা আলু স্টোরেজে রাখতে খরচ পড়েছে ১ হাজার ২০০ থেকে ১ হাজার ৩০০ টাকা। অথচ সেই আলু বর্তমানে বিক্রি হচ্ছে ৮০০ থেকে ৯০০ টাকা বস্তা দরে। প্রতি বস্তা আলুতে ব্যবসায়ীদের লোকসান ৩৫০ টাকা থেকে ৪৫০ টাকা। লাভ তো দূরের কথা নিজের পুঁজিটুকু পাওয়া যাবে না। এ কারণে ব্যবসায়ীরা স্টোর থেকে আলু তুলছেন না।
