উপজেলার ঘুঘুদহ বিলপাড় এলাকার কতিপয় ব্যক্তির উদ্যোগে ১৯৮৫ সালে গড়ে উঠে সমতা নামক একটি সমিতি। ভূমিহীনদের নিয়ে কাজ করায় এক সময় বিদেশি দাতা সংস্থার সহায়তা লাভ করে এনজিও সমতা। দাতা সংস্থার টাকায় গড়ে তোলে সম্পদের পাহাড়। শুরু হয় কর্তা ব্যক্তিদের ব্যাপক দুর্নীতি ও অনিয়ম। দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ একটি বেসরকারি টেলিভিশন ও দাতাদের তদন্তে ধরা পড়লে জাপানের জাইকাসহ বিভিন্ন দাতাগোষ্ঠী ঢাকায় সাংবাদিক সম্মেলনের মাধ্যমে এনজিওটির অর্থ বন্ধ ঘোষণা করেন।
দাতা সংস্থার অর্থ বন্ধের পরে নির্বাহী পরিচালকের পরিবারের সদস্যরা কর্মীদের বকেয়া বেতন ও এককালিন জমা রাখা অর্থ ফেরত দেবার কথা বলে, বিক্রয় করতে থাকে একের পর এক স্থায়ী, অস্থায়ী সম্পত্তি, পাজেরো জীপ ও আসবাবপত্র।
২০১২ সালে এনজিও‘র নির্বাহী পরিচালক মাসিক ৮০ হাজার টাকায় কেন্দ্রিয় অফিস ভাড়া প্রদান করেন ড. কফিল উদ্দিনের নিকট। ২০১৩ সালে কফিল উদ্দিন দাবি করেন ভাড়া নয় বিশাল এ অফিস সে আঃ কাদেরের নিকট থেকে ক্রয় করেছেন।
এ নিয়ে সাঁথিয়া থানায় ও পাবনা আদালতে শুরু হয় মামলা। এলাকাবাসীর প্রতিরোধের মুখে মালিকানা দাবিদার কফিল উদ্দিন বিদায় নিলেও নতুন করে আঃ কাদের ও তার ভাইদের মধ্যে শুরু হয়েছে মালিকানা নিয়ে দ্বন্দ্ব। এক পক্ষ চায় প্রতিষ্ঠানটি বিক্রয় করে মোটা অংকের অর্থ হাতিয়ে নিতে অন্য পক্ষ চায় তা রক্ষা করতে। এ নিয়ে চলছে উভয় গ্রুপের মধ্যে ব্যাপক দ্বন্দ্ব। ঈদের পরের দিন থেকে সমতার বাকি আসবাবপত্র লুটপাটের হিড়িক পড়েছে।
