বাংলাদেশ-ভারত সেনা প্রীতি ফুটবল ১-১ গোলে ড্র

আপডেট : ২৩ অক্টোবর ২০১৩, ২২:৫২
বাংলাদেশ এবং ভারতীয় সেনাবাহিনীর মধ্যে আয়োজিত প্রীতি ফুটবল ম্যাচটি ১-১ গোলে ড্র হয়েছে। গতকাল বুধবার বিকালে বনানী আর্মি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত দুই দেশের এই প্রীতি ম্যাচে বাংলাদেশ ১-০ গোলে এগিয়ে ছিল। কিন্তু সেটা ধরে রাখতে পারেনি। ভারত গোল শোধ করে হার ঠেকিয়েছে। আনন্দময় ম্যাচটি ১-১ গোলে শেষ হয়েছে। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর আমন্ত্রণে ভারতীয় সেনাবাহিনীর ২০ সদস্যের ফুটবল দল মঙ্গলবার রাতে ঢাকায় এসেছে। তিন দিনের সফর শেষ করে শুক্রবার ভারতীয় সেনা ফুটবল দলের দেশে ফিরে যাওয়ার কথা রয়েছে। দুই দেশের সেনাবাহিনীর মধ্যে সম্প্রীতি সৌহার্দ্য আর সম্পর্ক উন্নয়ন আরো সুন্দর এবং সুদৃঢ় করার লক্ষ্যেই প্রীতি ফুটবল ম্যাচের আয়োজন করা হয়েছে বলে জানা গেছে। একটি প্রীতি ফুটবল ম্যাচ ভাতৃত্বের বন্ধন গড়ে দিতে পারে, এমনটাই মনে করছেন ম্যাচের আয়োজকরা। প্রধান অতিথি সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল ষ্টাফ অফিসার লেঃ জেনারেল আবু বেলাল মোহাম্মদ শফিউল হক এবং বিশেষ অতিথি ঢাকাস্থ ভারতীয় হাইকমিশনার পঙ্কজ শরণ বেলুন উড়িয়ে, খেলোয়াড়দের সাথে হাত মিলিয়ে শুভেচ্ছা জানিয়ে ম্যাচের উদ্বোধন করার পরই শুরু হয় ফুটবল লড়াই। আর্মি স্টেডিয়ামে সে ফ প্রীতি ম্যাচটি যেন মর্যাদার লড়াইয়ে পরিণত হয়েছিল। দেশ রক্ষায় অস্ত্র হাতে যারা সাহসী ভূমিকা রাখতে পারেন, তারা যে ফুটবলের ময়দানী যুদ্ধেও সমান পারদর্শী, তার একটা দৃষ্টি নন্দন উদাহরণ তুলে ধরেছেন ভারত ও বাংলাদেশের সেনা সদস্যরা। আর্মি স্টেডিয়ামে কাল এতোটুকু জায়গা ফাঁকা ছিল না। এক প্রান্তে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্র-ছাত্রীরা, আরেক প্রান্তের গ্যালারিতে সেনা সদস্যরা মাঠের লড়াই উপভোগ করেছেন। দুই দেশের সেনা সদস্যদের ফুটবল নৈপুণ্য সবার নজরে পড়েছে। দেখে বোঝার উপায় নেই তারা অপেশাদার ফুটবলার। নব্বই মিনিটের খেলাটা পুরোপুরি উত্তেজনা পুর্ণ ছিল। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধে গোলের দেখা পেয়েছিল। ৭০ মিনিটে বাংলাদেশ অধিনায়ক তারেক আজিজের গোল স্টেডিয়ামে উত্সব মুখর পরিবেশ এনে দেয়। কিন্তু একটা ভুলের কারণে এগিয়ে থাকাটা ধরে রাখতে পারেনি বাংলাদেশ। চার মিনিট ব্যবধানে পাওয়া ক্ষীণ সুযোগ থেকে ভারতীয় সেনাবাহিনীর সামতু সুব্বাত গোল করে ম্যাচটা হার থেকে রক্ষা করেন, ১-১ গোলে শেষ হয় প্রাণবন্ত ম্যাচ। খেলা শেষে পুরস্কার বিতরণ করেন সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার লেঃ জেনারেল আবু বেলাল মোহাম্মদ শফিউল হক। ম্যাচ উপভোগ করেছেন বাফুফের সভাপতি কাজী সালাহউদ্দিন, স্বাধীনবাংলা ফুটবল দলের ম্যানেজার তানভীর মাজহার তান্না, অধিনায়ক জাকারিয়া পিন্টুসহ স্বাধীনবাংলা ফুটবল দলের ডজন খানেক সাবেক ফুটবলার।