মান্না দের মৃত্যুতে সারা ভারত শোকস্তব্ধ। প্রবাদপ্রতীম এই শিল্পীর প্রয়াণে শোক প্রকাশ করেছেন, রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রীসহ গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্জি বলেন, বহুমুখী প্রতিভার অসাধারণ শিল্পী ছিলেন মান্না দে। তাঁর গায়কি চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।
প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং তার শোকবাণীতে বলেন, কিংবদন্তি গায়কের মৃত্যুতে সংগীতের জগত্ সবচেয়ে প্রতিভাধর গায়কদের একজনকে হারাল। সুর সম্রাটের জীবনাবসানের খবরে আমি গভীর শোকাহত।
পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বানার্জী বলেন, মান্না দে বহুমুখী প্রতিভার অসাধারণ শিল্পী। সাবেক মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য বলেন, অপূরণীয় ক্ষতি হয়ে গেল।
জনপ্রিয় অভিনেতা অমিতাভ বচ্চন বলেন, আজ অনেক স্মৃতির কথা মনে পড়ছে। মনে পড়ছে অনেক গানের কথা। তার গান অনবদ্য।
উপমহাদেশের আরেক কিংবদন্তী শিল্পী লতা মঙ্গেশকর বলেন, প্রাপ্য সম্মান পাননি মান্না দে। আর তা নিয়ে ক্ষোভও ছিল তার। মান্না দের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে সুরসম্রাজ্ঞী লতা মঙ্গেশকর বলেন, মান্না দের মৃত্যুর মধ্যে দিয়ে সংগীতের স্বর্ণযুগের অবসান হয়ে গেল। যতদূর মনে পড়ছে, ১৯৪৭ বা ৪৮ সালে মান্না দে’র সঙ্গে প্রথম গেয়েছিলাম। আমরা গান গাইবার সময় দু’জন, দু’জনকে সাহায্য করতাম। আমাদের প্রজন্মের অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ ছিলেন তিনি। ক্লাসিক্যাল থেকে কমিডি- সব ধরনের গানেই অনন্য দখল ছিল মান্না দার। মান্না দা আর নেই, ইতিহাসের পাতায় চিরতরের জন্য চলে গেছেন ভাবলেই কষ্ট হচ্ছে। ওনার ঘরে গিয়ে দেখেছি উনি গানকে কতটা ভালবাসতেন।
বিশিষ্ট অভিনেত্রী শাবানা আজমি বলেন, ‘মান্না দে এক স্বতন্ত্র কণ্ঠের অধিকারী ছিলেন। নিজের গানের মধ্যে দিয়েই তিনি বেঁচে থাকবেন।’
সঙ্গীত শিল্পী অজয় চক্রবর্তী বলেন, চিরদিন থেকে যাবেন তিনি। মান্না দে ভারতের রত্ন।
প্রয়াত শিল্পীর দুই কন্যা সুরমা ও সুমিতা বলেন, মান্না দের প্রয়াণ সংগীতপ্রেমীদের কাছে অপূরণীয় ক্ষতি। দ্বিতীয় মান্না দে হওয়া কখনোই সম্ভব নয়।
ভাইপো সুব্রত দে- ছোটবেলায় কাকা মান্না দেকে খুব কাছ থেকে দেখেছিলেন। খুব ব্যস্ত থাকলেও পরিবারের সঙ্গে খোলামেলা ভাবেই সময় কাটাতেন মান্না দে। শুক্তনি, মাছ, পটল খেতে খুব ভালবাসতেন।
